সারাদেশে মহান বৃহস্পতি শোভাযাত্রা পালন করতে চায় বৃহস্পতি উদযাপন কমিটি

৪৪৪ পঠিত ... ১৫:৫৮, এপ্রিল ১২, ২০২২

Brihospotibar-shovajatra

বাংলা নতুন বছরকে বরণ করে নিতে প্রতিবছর আয়োজন করা হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ প্রতিবছরই এটি আয়োজন করে আসছে। মঙ্গল শোভাযাত্রার মতই বৃহস্পতি শোভাযাত্রা পালন করার কথা ভাবছে দেশের বৃহস্পতি উদযাপন কমিটি।

দেশের আপামর জনসাধারণ সংগঠনটির সদস্য হলেও সংগঠনটি অনুভব করতে হলে চাকরি করা পর্যন্ত অপেক্ষা করা লাগে বলে জানা যায়। চাকুরীর কারণে বৃহস্পতিবারের সাথে তাদের একটা আত্মিক সম্পর্ক তৈরি হয়। ফলে তারা এই এই দিনের নাম দিয়েছে মহান বৃহস্পতিবার।

বৃহস্পতি শোভাযাত্রা বিষয়ে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কাসাফাদ্দৌজা নোমান বলেন, ‘প্রতি বৃহস্পতি সন্ধ্যায় আমরা প্রত্যেকেই একটা মানসিক শোভাযাত্রা ইতোমধ্যে পালন করে থাকি। এইটাকে আনুষ্ঠানিক রুপ দেয়াটাই ইচ্ছা। বৃহস্পতিরাতের সাথে ধুয়ে যাবে যাবতীয় জরা, গ্লানি, অফিস পলিটিক্স, বসের ঝাড়ি, এইচআরের মাতুব্বরী এবং পুরানো সপ্তাহের সকল আবর্জনা। রবিবার থেকে আমরা ঝকঝকে একটা নতুন সপ্তাহ দেখতে চাই।’

বৃহস্পতি শোভাযাত্রা আয়োজনের পুরো পরিকল্পনার কথাও জানান নোমান। তিনি বলেন, ‘মহান বৃহস্পতিবার অফিস শেষে কর্পোরেট এবং নন কর্পোরেট চাকররা নিজ নিজ কর্মস্থল থেকে যেদিকে ইচ্ছা সেদিকে শোভাযাত্রা করতে পারবে। এই শোভা যাত্রায় ধনী গরীব, কোম্পানীর মালি কিংবা মালিক, ইন্টার্ন কিংবা এমডি কারো কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। এই শোভাযাত্রায় চাইলে স্টিকারে বসের ছবি, ক্লায়েন্টের ছবিও রাখা যাবে।'

বৃহস্পতিবার নিয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সদস্য জানিয়েছেন, ‘আমাদের শুধু দরকার বোতল।’ এই বিষয়ে আরেক নাম প্রকাশ না করার সূত্রে এক আমদানীকারক প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, বৃহস্পতি উদযাপন করার জন্য রাশিয়ান ভদকা বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।

সংগঠন সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতি শোভাযাত্রার জন্য থিম সং লেখার কাজ চলছে। কিন্তু যিনি থিম সং লিখবেন তিনি চাকরির জন্য সময় করে উঠতে পারছেন না দেখে একটু দেরি হচ্ছে। শুধু শেষ লাইনটা লেখা হয়েছে। উত্তেজিত পাঠকদের জন্য তাই শেষ দুই লাইন দেয়া হলো। লাইন দু’টি হলো:

মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা

তরলস্নানে ভাসমান ধরা…

৪৪৪ পঠিত ... ১৫:৫৮, এপ্রিল ১২, ২০২২

Top