ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেরা কিছু কৌতুকরঙ্গ

৫৮ পঠিত ... ২০:৩৫, আগস্ট ২৬, ২০১৯

ভানু বন্ধোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯২০ সালের ২৬ আগস্ট, অবিভক্ত বাংলার বিক্রমপুরে। ছেলেবেলা কাটিয়েছেন ঢাকায়। ওয়ারি-তে পাড়ার নাটকে অভিনয় দিয়ে হাতেখড়িটা সেড়ে ফেলেছিলেন সেই স্কুল জীবনেই। স্কুলে থাকতেই জড়িয়ে পড়েছিলেন স্বদেশী আন্দোলনে।  সেন্ট গ্রেগরিতে স্কুলের পাট চুকিয়ে ভর্তি হলেন জগন্নাথ কলেজে। সেখানে পদার্থবিদ সত্যেন বসুর সাথে গড়ে ওঠে চমৎকার সম্পর্ক। হয়ে ওঠেন রমেশ মজুমদার, পল্লীকবি জসিমউদ্দীন এবং মোহিতলাল মজুমদারের প্রিয় ছাত্র। মাঝে মাঝেই নাকি ঢাকাইয়া কুট্টি ভাষা শোনানোর জন্য ডাক পড়ত তার।

ঐ সময়ই ‘অনুশীলন সমিতি’র সংগঠক হিসেবেও কাজ করেছেন। তখন ঢাকা স্বদেশী আন্দোলনের এক প্রবল ক্ষেত্র। শার্টের ভেতর ‘নিষিদ্ধ’ বই গুজে সাইকেলে ঘুরে বেড়াতেন। টিফিন বাটিতে পাচার করতেন স্বদেশী আন্দোলনকারীদের জন্য রিভালভার! ১৯৪১ সালে এক ব্রিটিশ ইনফর্মার অনুশীলন সমিতির এক সদস্যের হাতে খুন হলে, দলের নেতা হিসেবে ভানুর নামে হয় হুলিয়া জারি। ব্যস, গাড়ির পাটাতনে লুকিয়ে চলে যেতে হলো কলকাতা। 

সেখানে গিয়ে রীতিমত পরিশ্রম করে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন কৌতুক অভিনেতা হিসেবে। এরপর নিজেকে এমন উচ্চতায় নিয়ে গেলেন যে, উত্তম-সুচিত্রা-সৌমিত্রের সাথে তার নামটাও উচ্চারণ করেন বাংলা সিনেমার ইতিহাস নিয়ে জানাশোনা রাখা মানুষেরা। মাতৃভূমি পূর্ব-বাংলা ছেড়ে চলে গেলেও ইস্ট বেঙ্গলকে কখনোই ভুলতে পারেননি। পর্দায় তার মুখে সবসময় ছিল এপারের ‘বাঙালের’ ভাষা।

যদি ভানুভক্ত হন, তাহলে অবসরে শুনে নিতে পারেন ভানুর সেরা কিছু কৌতুকরঙ্গ। যদি ভানুভক্ত না হন, কয়েকটি অডিও শোনার পরে হয়ে যাবেন নিশ্চিত!

৫৮ পঠিত ... ২০:৩৫, আগস্ট ২৬, ২০১৯

পাঠকের মন্তব্য

 

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

আইডিয়া

গল্প

রম্য

সঙবাদ

সাক্ষাৎকারকি

স্যাটায়ার


Top