বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়া এখনও শেষ হয়নি কিন্তু মাসে আয় ৫ লক্ষ টাকা

৪০২ পঠিত ... ১৭:২৮, জানুয়ারি ২২, ২০২৩

Masik-ay-5-lac

গ্রাজুয়েশন শেষ হবে। কেউ বিসিএস দেবে, কেউ ব্যাংকের জন্য পরীক্ষা, কেউবা ইন্টারভিউ দেয়ার জন্য ঘুরবে অফিসে অফিসে। এমন টিপিক্যাল ভাবনার দিন এখন আর নেই। উদ্যমি তরুণরা এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকা অবস্থায়ই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে তুলছেন। স্থাপন করছেন নতুন দৃষ্টান্ত।

রাশেদুলও তেমন উদ্যমি, পরিশ্রমি তরুণদের একজন। বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরুনোর আগেই প্রতি মাসে আয় করছেন ৫ লক্ষ টাকারও বেশি।  

রাশিদুল পড়ালেখা করছেন উগান্ডা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে। বিশ্ববিদ্যালয় এরিয়ার মধ্যেই গড়ে তুলেছেন একাধিক ব্যবসা। সিট বাণিজ্য প্রাইভেট লিমিটেড, চাঁদা ম্যানেজমেন্ট, ভর্তি বাণিজ্য লিমিটেড, পদ বাণিজ্য স্টার্টআপসহ প্রায় ৮টি ব্যবসা দাঁড় করিয়েছেন এই তরুণ। বাইক কিনেছেন দ্বিতীয় বর্ষে থাকতেই। খুব শীঘ্রই ব্যক্তিগত গাড়ি কেনার ভাবনাও আছে রাশিদুলের।

ব্যবসা সামলানোর পাশাপাশি পড়ালেখায়ও দারুণ মনোযোগী রাশিদুল। ৮ বছর শেষ হলেও পড়ালেখাকে ভালোবেসে এখনো চতুর্থ বর্ষেই রয়েছেন তিনি। পড়ালেখার প্রতি ভালোবাসার কথা জানাতে গিয়ে রাশিদুল বলেন, ‘কারও গাঁজার নেশা আছে। কারও মদের নেশা। আমারও নেশা আছে। সেটা হলো পড়ালেখার নেশা। ৮ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে আছি। ভাবছি আরও ৮ বছর থাকবো।‘

রাশিদুলের পথচলা যদিও সহজ ছিলো না। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষেই যোগ দিয়েছেন রাজনীতিতে। সহ-সভাপতি থেকেছেন প্রায় ৩ বছর। এরপর ধীরে ধীরে এগিয়ে গিয়েছেন নিজের স্বপ্নের দিকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে ধীরে ধীরে হয়ে উঠেছেন একজন আদর্শ বড়ভাই।

রাশিদুলের পাশাপাশি নিজেদের মেধা ও প্রত্যয় দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন আরও অনেকে। উগান্ডার পরিদফুরের সুফিয়ান তাদের একজন। প্রায় একই রকমের ব্যবসা করে দেশের পাশাপাশি বিদেশের অর্থনীতিতে রাখছেন দারুন অবদান। পাচার করেছেন প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা।

রাশিদুল, সুফিয়ানদের হাত ধরে গড়ে উঠছে অন্যরকম উগান্ডা। বিশ্বের অন্যান্য তরুণদের সাথে তাল মিলিয়ে দেশের মুখ উজ্জ্বল করছেন তারাও।

৪০২ পঠিত ... ১৭:২৮, জানুয়ারি ২২, ২০২৩

Top