কারেন্ট জাল দিয়ে ফ্যান চালানোর চেষ্টা করলেন নোয়াখালির রবিউল

৩৩৮ পঠিত ... ১৭:৫৩, জুলাই ০৬, ২০২২

Current-jal-diye-fan

প্রায় ২০ বছর আগে ২০০২ সালে সংশোধিত আইনে নিষিদ্ধ হয় কারেন্ট জালের উৎপাদন ও ব্যবহার। কিন্তু প্রয়োজন কোনো আইন মানে না। বর্তমানে লোডশেডিং এর সমস্যা নিরসনে আবার ঘুরেফিরে চলে এলো এই কারেন্টের জালের ব্যবহার। জানা যায়, কারেন্ট জাল দিয়ে ফ্যান চালানোর চেষ্টা করলেন নোয়াখালীর রবিউল (৩৫) ও তার কিছু বন্ধু।

এ ব্যাপারে রবিউলের বাড়ি গিয়ে দেখা যায়, তাদের ঘরের এ মাথা থেকে ও মাথা পর্যন্ত ছড়িয়ে আছে কারেন্ট জাল। মেঝেতে গড়াগড়ি করছে অসংখ্য ব্যাটারি, খেলনা মটর ইত্যাদি। রবিউলকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি বলেন, ‘এই লোডশেডিং এ লাইটের ব্যবস্থা না হয় করলাম...’ এতটুকু বলার পর প্রশ্নকর্তা তাকে আবারও থামিয়ে কীভাবে লাইটের ব্যবস্থা হলো সে সম্পর্কে জানতে চান।

উত্তরে রবিউল বলেন, ‘আমরা আদিম যুগে ফিরে গেছি। গুহা মানবদের মতো পাথরে পাথর ঘষে আগুন জ্বালাই কারেন্ট না থাকলে৷ অবশ্য বৃষ্টি বাদলের দিন একটু সমস্যায় থাকি। সেদিন শেষ সম্বল হয় আমার স্ত্রী। ওর রূপের আলোতেই রান্নাবান্না থেকে শুরু করে শৌচকার্যসহ সব কাজকর্ম করতে হয়...’

ফ্যানের ব্যাপারে রবিউল আরও জানান, ‘তিনটা ছোট ব্লেড জোগাড় করছি। ওইগুলাকে কারেন্ট জাল দিয়ে প্যাঁচায়ে ডিসি মোটরের সাথে কানেক্ট করে সবাই মিলে ফুঁ দিছি। ফুঁ দেওয়ার পর একটু একটু নড়ছে, বাতাসও বের হইছে। যেই ফুঁ দেওয়া বন্ধ করছি, বাতাসও শেষ...’

তবে কারেন্ট উৎপাদন প্রসঙ্গে রবিউল জানান, ‘আমরা তো কারেন্ট জাল দিয়ে চেষ্টা করবো। নাম যেহেতু 'কারেন্ট', কাজেও তো কিছু একটা হবেই। এছাড়া বাজার থেকে অনেকগুলো ‘কারেন্ট’ অ্যাফেয়ার্সও কিনে এনেছি। জালের সাথে ওইগুলাকেও কাজে লাগাবো। কিন্তু তাও যদি না হয়, আমাদের পাশের বাসায় কুমিল্লার এক আন্টি আছে। তিনি বলেছেন উনার ওইখানে অনেক কারেন্ট আছে। তিনি আমাদেরকে এ ব্যাপারে সাহায্য করতে পারবেন....’

৩৩৮ পঠিত ... ১৭:৫৩, জুলাই ০৬, ২০২২

Top