রাশিয়ার সাথে সমঝোতা করতে মুহম্মদ জাফর ইকবালকে দূত হিসেবে পাঠানোর কথা ভাবছে ইউক্রেন

১২৬৭ পঠিত ... ২০:০০, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২

afar-iqbal-ucrane

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মাঝে কিছুদিন ধরেই চলছে উত্তেজনা। এদিকে গত সোমবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের রুশপন্থী বিল্পবীদের দুটি অঞ্চল দোনেৎস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন রাষ্ট্র ঘোষণা করে সেনাও পাঠিয়ে দিয়েছে। পুতিনের এমন সিদ্ধান্তে বেশ চাপ অনুভব করছে যুক্তরাস্ট্রসহ ইউক্রেনের অন্যান্য মিত্ররা। এমন পরিস্থিতিতে রাশিয়ার সাথে সমঝোতা করতে মুহম্মদ জাফর ইকবালকে দূত হিসেবে রাশিয়ায় পাঠাবেন বলে জানা যায়। 

একটি সম্পূর্ণ অবিশ্বস্ত সূত্র থেকে আরো জানা যায়, ইতোমধ্যে দোনেৎস্ক ও লুহানেস্ককের বিদ্রোহীদের খাওয়ানোর জন্য জুসও কেনা হয়েছে। আমেরিকা আশা করছে জাফর ইকবাল বিদ্রোহীদের মাথায় হাত বুলিয়ে জুস খাওয়াতে পারলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। এরপর ধীরে ধীরে পুতিনকেও বশে আনা যাবে। 

বিদ্রোহী ও পুতিনকে শোনানোর জন্য জাফর ইকবালের একটি বক্তব্যও প্রস্তুত করেছে ইউক্রেন। ভিত্তিহীন এই বক্তব্যটি হাতে পেয়েছে eআরকি। সেখানে বিদ্রোহীদের উদ্দেশ্যে জাফর ইকবালের বক্তব্য হিসেবে বলা আছে, ‘তোমরা জানো না তোমরা কী করে ফেলেছো। সারাবিশ্ব তোমাদের দেখেছে, অবাক হয়েছে। সবাইকে তোমরা নাড়িয়ে দিয়েছো। তোমরা জেনে অবাক হবে যে, ইউক্রেন আমাকে কথা দিয়েছে, তোমাদের সব কথা রাখবে। তোমাদের সব দাবি মেনে নিবে। শুধু তারা একটু সময় চায়। বুঝেছো?’

আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষকরা ইউক্রেনের এই পদক্ষেপকে রাশিয়া-ইউক্রেন সংকটের ট্রাম্পকার্ড হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এমনই একজন বলেন, ‘জাফর স্যার গেলে তো জিনিসটা পানির মত সহজ হয়ে যাবে। দেখা যাবে, পুতিন জাফর স্যারকে জড়িয়ে ধরে কান্না অঝোরে কাঁদছে। আর জাফর স্যার পুতিনের মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে।’

বিশ্বরাজনীতির অন্য এক বিশ্লেষক বলেন, ‘জাফর স্যার থাকলে পৃথিবীতে কোন বিশ্বযুদ্ধই হতো না। উনি জাস্ট গিয়ে নেতাদের মাথায় হাত বুলিয়ে একটু পানি খাওয়ালেই সব যুদ্ধ থেকে যেত।’

এদিকে ফুডভ্লগার ফুড রেঞ্জার্স জাফর স্যারকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, ‘স্যার বিদ্রোহীদের এই আন্দোলনকে খেয়ে ফেলার পর একটু রিভিউ কইরেন। সাস্টের আন্দোলনের রিভিউ করেননি দেখে বেশ কষ্ট পেয়েছি।  

 

১২৬৭ পঠিত ... ২০:০০, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২

Top