রাজনীতিবিদ, ফিটনেস এক্সপার্টের পর এবার এডিটর হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেন সোহেল তাজ

১৯৭০ পঠিত ... ১৯:০২, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১

গত সপ্তাহে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চিত্রনায়িকা পরীমনি আবারও আলোচনায় আসেন সিগারেট একটি ছবি আপলোড করার মাধ্যমে (যদিও ছবিটি পরীমনি ইতোমধ্যে ডিলিট করে দিয়েছেন!)। ছবির কমেন্টবক্স অফ করে রাখার পরেও বিভিন্ন রকম নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যায় (যেন এই প্রথমবার কোনো সেলিব্রেটির হাতে বাঙালি বিড়ি দেখলো)। একইভাবে রাজনীতিবিদ, ফিটনেস ও হেলথ অ্যাক্টিভিস্ট সোহেল তাজ তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাসে পরীমনির এই ধরনের আচরণকে অশোভন এবং উচ্ছৃঙ্খল বলে আখ্যা দেন। এরপরই যেন আলোচনার ঝড় উঠে সোহেল তাজের মতামতের পক্ষে এবং বিপক্ষে।

editor sohel taz

তার কাউন্টার হিসেবেই সোহেল তাজ তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে আজ (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং উচ্ছৃঙ্খল জীবন যাপনের ভেতর পার্থক্য, সেলিব্রিটিদের উপর যুবসমাজ রক্ষার দায়িত্ব ব্যাখ্যা করেন। সেখানে তিনি বেশ কয়েকজন এমপাওয়ার্ড উইম্যানের ছবিও জুড়ে দেন। তবে সমস্যা হলো, প্রথমবার সেখানে ৯ জন নারীর ছবি যোগ করলেও আস্তে আস্তে তাদের সংখ্যা এবং ভেতরের মানুষও এদিক সেদিক হতে থাকে। এডিট হিস্ট্রি থেকে জানা যায়, একটু পরেই তিনি সেখানে মাদার তেরেসা, জাহানারা ইমাম এবং শেখ হাসিনার ছবি যোগ হয়। শেখ হাসিনার ছবি যোগ করার কিছুক্ষণ পরেই তিনি পোস্টের নিচে ডিসক্লেইমার সহ খালেদা জিয়ার ছবিও যোগ করে দেন। কিছুক্ষণের ভেতর শেখ হাসিনার ছবি ৪৮০০ রিএ্যাকশন এবং খালেদা জিয়ার ছবি ৫৮০০ রিয়েকশন পাবার পর তিনি শেখ হাসিনা এবং খালেদা জিয়া —উভয়ের ছবিই ডিলিট করে দেন। এবং পরবর্তীতে আবার অ্যাঞ্জেলিনা জোলির ছবি যোগ করেন।

তাঁর এই অসংখ্যবার পোস্ট এডিট করা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছে বিভিন্ন পত্রপত্রিকা এবং ম্যাগাজিনের এডিটররা। তারা জানান, 'মি. সোহেল তাজ রাজনীতিবিদ, এবং ফিটনেস এক্সপার্ট জানতাম, তবে তিনি এতো ভালো এডিটরও হবেন, চিন্তা করতে পারিনি। আমাদেরই তো এতবার এডিট করতে ঘাম ছুটে যায়...'

বিস্মিত হয়েছেন ফেসবুকের এক কর্মকর্তাও! জিহ্বা কামড়ে 'ও মাই গড' বলে চেঁচিয়ে উঠে তিনি পোস্টটির এডিট হিস্ট্রি ভালোমতো চেক করে বলেন, 'এতবার এডিটের অপশন আছে আমি নিজেই জানতাম না। আমি আগে জানতাম ফেসবুকে পোস্ট এডিট করা যায় জাস্ট ৫০০ বার।'

একজন অনলাইন বিশ্লেষক জানান, 'এডিটর হিসেবে সোহেল তাজ সোলায়মান সুখনকেও ছাড়িয়ে গেছেন। উল্লেখ্য, একটি পোস্ট কয়েকশ বার এডিট করে ইতোপূর্বে সুখন নেটিজেনদের তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন।

অন্যদিকে সোহেল তাজের এই পোস্ট দেখে ছুটে এসেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের মফিজ। মফিজ eআরকিকে জানায়, 'আমি বাংলায় অনার্স মাস্টার্স করে বসে আছি অনেকদিন হলো। সোহেল স্যারের এই পোস্ট দেখে চাকরির আশা খুঁজে পেলাম। স্যারের কি একটা পোস্ট প্রুফ রিডার দরকার নাই যে তাঁর বানান ঠিক করে দিবে....লাগলে প্লিজ আমাকে জানাবেন...'

১৯৭০ পঠিত ... ১৯:০২, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১

Top