মা-ভক্ত কলিমুল্লাকে অভিনন্দন জানাতে নদী সাঁতরে ঢাকার দিকে আসছেন বিদ্যাসাগর

২০৭৪ পঠিত ... ১৫:১১, মার্চ ১০, ২০২১

Kolim

ভায়রা, ভাগনেসহ অনেক আত্মীয়স্বজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি দেয়াসহ অন্যান্য নানান সুযোগ সুবিধা দেয়ার অভিযোগ রয়েছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর বিরুদ্ধে। সম্প্রতি জানা যায়, নিজের মাকেও নিয়োগ বোর্ডের সদস্য করেছেন তিনি। এ নিয়ে সমালোচনা সৃষ্টি হলেও কলিমুল্লাহর এমন মা ভক্তিতে মুগ্ধ হয়েছেন মায়ের অসুস্থতার খবরে সাঁতরে নদী পাড়ি দেয়া ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

অভিনন্দন জানাতে শুরুতেই মেঘনা ও আড়িয়াল খা নদী পার হয়ে কলিমুল্লাহকে না পেয়ে বাধ্য হয়ে বুড়িগঙ্গা পাড়ি দিয়ে eআরকির সদর দপ্তরে চলে আসেন বিদ্যাসাগর। eআরকি থেকে বিদ্যাসাগর সম্বোধন করলে আমাদেরকে থামিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাকে সাগর বলবেন না। কলিমুলাহর মা ভক্তি দেখে নিজেকে বিদ্যানদী মনে হচ্ছে। সাগর তো কলিমুল্লাহ।’ কলিমুল্লাহর নামের পাশে উপাধি হিসেবে ঈশ্বরসূর্য রাখার অনুরোধও করেন তিনি।

বিদ্যাসাগর থুক্কু বিদ্যানদী আরো বলেন, ‘মাকে দেখার জন্য আমি নদী পাড়ি দিয়েছি, ‘অথচ কলিমুল্লাহ সাহেবকে দেখেন, সবসময় যেন মাকে পাশে পান সেজন্য চাকরি দিয়ে দিয়েছেন। এমন মা ভক্ত ছেলে পাওয়া আজকাল বেশ দুষ্কর।’

নিয়োগের ক্ষেত্রে পাশে মা থাকায় নিশ্চয়ই যোগ্য মানুষকে নিয়োগ দিতে পারেন কলিমুল্লাহ-এমন উল্লেখ করে বিদ্যাসাগর বলেন, ‘বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় কি র‍্যাঙ্কিংয়ে অক্সফোর্ড, হার্ভার্ডকে ছাড়িয়ে গেছে? এমন একটা উপাচার্যের সান্নিধ্যে পেলে আমি লেখাপড়ার জন্য কখনোই ইউরোপে পাড়ি দিতাম না। আসন কি খালি আছে? ভর্তি হওয়া যাবে? তাহলে নিজের অপূর্ণ ইচ্ছাটা পূরণ হয়ে যেতো।’

মায়ের প্রতি এমন ভক্তিতে মুগ্ধ হয়েছেন রুশ কথাসাহিত্যিক ম্যাক্সিম গোর্কিও। কলিমুল্লাহ ও তার মাকে নিয়ে ‘মা’ নামে নতুন উপন্যাস লিখতে চান তিনি।

২০৭৪ পঠিত ... ১৫:১১, মার্চ ১০, ২০২১

Top