ডাক্তারদের খাওয়ার টাকাই খেয়ে ফেললেন কর্তৃপক্ষ

৩৪৩ পঠিত ... ১৫:২৯, জুন ২৯, ২০২০

২০০ ডাক্তারের ২ মাসের থাকা-খাওয়ার খরচ ২০ কোটি টাকা। এমন অতিমানবীয় রহস্যজনক খাদ্য মিথলজির ঘটনা ঢাকা মেডিকেল কলেজ কোভিড ইউনিটের।

অথচ ডাক্তাররা প্রতিবেলা পৃথিবীর দামি খাবার পাননি। খাবারে ব্যবহার হয়নি ডায়মন্ডের চামচ। বাসন কোসনও ডায়মন্ডের তৈরি ছিলো না। তাহলে এত টাকা কোথায় গেলো? eআরকির এক কাল্পনিক অনুসন্ধানে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ডাক্তাদের খাওয়ার টাকাগুলোই চিবিয়ে চিবিয়ে খেয়ে ফেলেছে কর্তৃপক্ষ।

104692459_3122294451172497_4080587464652599797_n

এমন বাস্তব খাদ্য মিথলজি সম্পর্কে জানতে ও সরেজমিনে তা পর্যবেক্ষণ করতে ঢামেক কোভিড ইউনিটের খাদ্য সরবরাহ কক্ষে যাই আমরা। গিয়ে দেখি 'টাকা দৈত্য' নামে খ্যাত ২০ কোটি টাকার খাবার কেনা কর্তৃপক্ষের একজন বসে বসে টাকা খাচ্ছে। আমাদের দেখা মাত্রই 'হাউ মাউ খাও, টাকার গন্ধ পাও' বলে দৈত্যটি হিংস্র হয়ে উঠে। অনিচ্ছা স্বত্ত্বেও বাস ভাড়া থেকে বেঁচে যাওয়া খুচরো টাকাগুলো এই দৈত্যের উদ্দেশ্যে ছুঁড়ে দিতে হয়। তাতেও তার গর্জন না থামলে কর্তৃপক্ষের একজন তার উদ্দেশ্যে এক বান্ডিল ১ হাজার টাকার নোট ছুঁড়ে দিয়ে আমাদেরকে বলে, এইগুলা আজকের বাজারের টাকা। হের ক্ষিদা উঠলেই এভাবে বান্ডিলে বান্ডিলে টাকা দিতে হয়। এইগুলাই পরে খাবারের হিসেবে তুলতে হয়। এই যে আজকে বাজারের টাকা নাই। সুদের উপর টাকা নিয়া বাজার করুম। তাইলে আপনারাই কন, ২০ কোটি টাকা অনেক কম খরচ করছি না আমরা?

১ হাজার টাকার বান্ডিল খেয়ে কিছুটা শান্ত হয়ে নতুন টাকার গন্ধে ভরা ঢেকুর তুলতে তুলতে এই 'টাকা দৈত্য' কর্তৃপক্ষ বলেন, ডাক্তারগো ভাইটামিন হইলো ভাত, ডাল, পাঁউরুটি, ডিমে, আর আমার ভাইটামিন টাকায়। তয় নোটে আগের মতো মজা পাইনা, টেস্ট বদল করা দরকার, চেক হইলে ভালো।   

৩৪৩ পঠিত ... ১৫:২৯, জুন ২৯, ২০২০

Top