করোনা শনাক্তের সবচেয়ে শর্টকাট পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে ঢাকার জেকেজি হেলথকেয়ার

৩১৩ পঠিত ... ১৮:০৫, জুন ২৪, ২০২০

ফোন করলে বাসায় গিয়ে করোনাভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ করা হতো। বিনিময়ে নেওয়া হতো সর্বনিম্ন ৫ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৬০০ টাকা। কিন্তু সেই নমুনার কোনো পরীক্ষা ছাড়া এক দিন পরেই পরীক্ষার ফল দেওয়া হতো। এমন অভিযোগ উঠেছে জোবেদা খাতুন সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার (জেকেজি হেলথকেয়ার) বিরুদ্ধে। খবর: প্রথম আলো।

তবে eআরকির জিজ্ঞাসাবাদে এমন অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেম জেকেজি হেলথকেয়ার এর নির্বাহী পরিচালক আরিফুল চৌধুরী। বরং তিনি বলছেন, বিশ্বের সবচেয়ে শর্টকাট পদ্ধতিতে দ্রুততম সময়ে নমুনা পরীক্ষার কথা। নিজেদেরকে এই পদ্ধতির আবিষ্কারক বলেও দাবি করছে তারা।

জোবেদা খাতুন সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা থেকে আরো বলা হয়, 'ভাই অনেক টাইম লাগে পরীক্ষায়। তার চেয়ে পরীক্ষা না করলেই দ্রুত রেজাল্ট দেয়া যায়। এই যে দেখুন, আমাদের দরজায় লেখা- সঠিক সময়ে রোগ নির্নয় ঝুঁকি কমায়। এইটাই আমাদের মূলনীতি। সবচেয়ে শর্টকার্ট টাইমে রেজাল্ট।'

তাদের আবিষ্কৃত এই পরীক্ষাপদ্ধতি সম্পর্কে জানতে চাইলে গবেষকদলের অন্যতম সদস্য হাসপাতালের কম্পিউটার অপারেটর বলেন, 'এইতো ভাই, নাম লিখি আর পাশে পজেটিভ বা নেগেটিভে টিক দিয়া দেই। কাম শেষ। অহ হ্যাঁ, একটা মেসেজও লেখা লাগে, এরপর তা রোগীকে পাঠাইয়া দেই।'

এটাই কি সেই শর্টকাট করোনা টেস্ট? জোবেদা খাতুন সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার অফিস সহকারী জানালেন, 'আরে না না, বেশ কিছু পদ্ধতি আছে। একটু টাইম থাকলে 10-20-30 পদ্ধতি, মানে আমরা নমুনাগুলা নিয়ে অপু দশ বিশ ত্রিশ এই সিস্টেমে পজিটিভ না নেগেটিভ বলি। কারো কারো ক্ষেত্রে মোবাইল নম্বরের শেষ ডিজিট দেখেও রেজাল্ট দেই, জোড় হইলে পজেটিভ আর বেজোড় হইলে নেগেটিভ। কিছু ক্ষেত্রে মাস্ক থাকলে পজেটিভ না থাকলে নেগেটিভ। আর যদি একেবারেই টাইম না থাকে, আমাদের এক্সপার্টরা রোগীকে দেখেই বলে দিতে পারে যে 'আপনি উচ্চসংক্রমিত'।

এছাড়া ক্রিটিক্যাল রোগীর ক্ষেত্রে তিনি দৈবক্রমে চয়নের কিছু প্রোবাবলিটির অংকের কথাও জানান।

এসব পদ্ধতিতে পরীক্ষা করলে সফলতার হার বেশি বলেও জানায় জোবেদা খাতুন হেলথকেয়ার। এভাবে এক দিনেই দেশের ১৭ কোটি মানুষের নমুনা পরীক্ষা করা সম্ভব বলে সরকারকে এই পদ্ধতি ব্যবহারের পরামর্শও দেন তারা।

৩১৩ পঠিত ... ১৮:০৫, জুন ২৪, ২০২০

Top