সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রলের শিকার না হওয়াই কি তবে বিরাট কোহলির সাফল্যের রহস্য?

৩৪৭ পঠিত ... ২০:৩৩, ডিসেম্বর ২৫, ২০১৯

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রল ক্রিকেটারদের বিকাশের অন্তরায় এবং এইসব ট্রলের কারণে অনেক ক্রিকেটার নষ্ট হয়ে গিয়েছে; প্রথম আলোর সাথে এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন বাংলাদেশ দলের ওপেনার ইমরুল কায়েস।

ইমরুল কায়েসের এমন জ্ঞানগর্ভ মতামতের মাধ্যমেই উন্মোচিত হলো এতদিন রহস্যের জালে আটকে থাকা বিরাট কোহলির সাফল্যের রহস্য। সেই রহস্য কী?

বিরাট কোহলির কাছে এমন কোন প্রশ্ন আমরা জানতে না চাইলেও 'ট্রলফ্রি বিরাট কোহলি' নামে বিরাট কোহলির একটি ফেইক আইডি নিজে থেকেই আমাদেরকে জানান, 'অনেকেই ভাবে হার্ডওয়ার্ক, নিজের কাজে মনোযোগ ইত্যাদি আমার সাফল্যের রহস্য। আমার সাফল্যের রহস্যের কোন হদিস করতে না পাইরা আমি নিজেও এমনটা বিশ্বাস করতাম। কিন্তু ইমরুল কায়েসের ওই কথাটির পরেই আসলে আমার ভুল ভাঙছে। হার্ডওয়ার্ক টোয়ার্ক এইগুলা ভূয়া কথা!'

তাইলে আসল রহস্যটা কী? জানতে চাওয়ায় কোহলি জানালেন, 'আসল রহস্য ট্রল ফ্রি। ভারতীয় দলের সব সেরা সেরা খেলোয়াড় আসলে ট্রল ফ্রি। আমাদের দেশের ১২০ কোটি মানুষ। কিন্তু বললে তো বিশ্বাস করবেন না, তারা কেউই কোন দিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্রিকেটারদের নিয়ে ট্রল করে না।'

ইন্টারনেটে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কোহলিকে নিয়ে লক্ষ লক্ষ ট্রল থেকে ৪০০তম ম্যাচে ০ রানে আউট হওয়া নিয়ে একটা ট্রল ভিরাটকে দেখালে সে বলে, আপনারা আসলেই মিয়া ঝামেলা। ভালো জিনিস বুঝেন না। এই মিমে ওরা বলছে, আমি ওদের সোনার ডিম পাড়া হাঁস দিছিলাম। কিন্তু বিশ্বাস করেন, আমি দেই নাই! জানিও না কিছু। কিন্তু আমাদের দেশের মানুষ কত ভালো দেখেন, তাও তারা বলতেছে আমি তাদের সোনার ডিম পাড়া হাঁস গিফট দিছি। এইটাই আমাদের দেশ। এরাই আমাদের দেশের মানুষ।'

রয়েল চ্যালেঞ্জার ব্যাঙ্গালুরুকে কোন ট্রফি জেতাতে না পারার জন্য আপনাকে চোকার বলা হয়, এইটাকে আপনি ট্রল বলবেন না? আমাদের এমন প্রশ্নে তিনি জানান, 'এবার বুঝছি আপনারা আসলেই ভেজাল! ওইটা ট্রল না মিয়া। চোকার শব্দটার সন্ধি বিচ্ছেদ করলে দাঁড়ায় ‘চোখ আমার’। এর মানে হইতেছে আমাদের ফ্যানরা বুঝাইতে চাইতেছে আমি এমন এক লড়াকু যে আমার চোখ এখনো আইপিএল ট্রফির দিকেই আছে। এইসব দেখে আমিও জোস পাই একটা আইপিএল ট্রফি জেতার।'

ট্রল ফ্রি ইস্যুতে নিজের চেয়েও রবীন্দ্র জাদেজাকে বড় উদাহরণ দাবি করে বিরাট বলেন, 'আমাদের স্যার জাদেজাকে দেখেন। শুরুতে ওর পারফর্ম এমন আহামরি আছিলো না। কিন্তু পোলাপান ওকে নিয়ে ট্রল না করে ওকে সম্মান করে স্যার বলে ডাকতো! আমরাও ওরে স্যার ডাকি। এমন ভালোবাসায় দেখেন ও এখন টপ অলরাউন্ডারের তালিকায় থাকে নিয়মিত।'

ইমরুল কায়েসের এমন রহস্য উন্মোচনের পর অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশের ক্রিকেট বোর্ডগুলো বিপক্ষ দলের সেরা খেলোয়াড়দের কুপোকাত করার জন্য একটা করে ট্রল সেকশন খোলার কাজও শুরু করে দিয়েছেন। ট্রল সেকশন খোলার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে ফুটবল বিশ্বেও।

৩৪৭ পঠিত ... ২০:৩৩, ডিসেম্বর ২৫, ২০১৯

Top