লোডশেডিং নিয়ে দশটি 'এইযযাহ আবার গেলো' কৌতুক

১৬৮৩ পঠিত ... ১৬:০৪, অক্টোবর ১৩, ২০২২

Loadsheding-jokes

১#

শিক্ষক: বিদ্যুৎ বিভাগের মালিক কে, বলো তো নান্টু?

নান্টু: আমার মামা, স্যার।

শিক্ষক: বলে কি ছেলে! তোমার মামা মালিক হতে যাবেন কেন?

নান্টু: কারণ বিদ্যুৎ চলে গেলেই বাবা চিৎকার করে বলেন, ‘শালার কারেন্ট আবার গেল!’

 

২#

সকালে চায়ের টেবিলে একখানা ডিটেকটিভ বই ফেলে দিয়ে স্বামী স্ত্রীকে বলল, ‘দারুণ বই, আমি কাল রাত দু’টা পর্যন্ত এক নিশ্বাসে পড়ে শেষ করেছি।‘

: কিন্তু কাল বারোটার পরই লোডশেডিং হয়ে গেল যে। পড়লে কী করে?

: পড়তে পড়তে এতই মগ্ন ছিলাম যে কিছুই টের পাইনি।

 

৩#

: জানো মা, আপা না অন্ধকারে দেখতে পায়।

: কীভাবে বুঝলি?

: আমি শুনেছি ও-ঘরে অন্ধকারে আপা রফিক ভাইয়াকে বলেছে, ‘একি! আজ শেভ করোনি?’

 

৪#

খোকন: কিরে দোস্ত কী হইছে? অমন ষাঁড়ের মত ছুটতাছোস কেন?

রোকন: আর কইস না দোস্ত, একটুর জন্য ওর বাপের হাতে ধরা খাইছিলাম…

ঠিক সে সময় কারেন্ট চলে এল, আর রোকনকে দেখে সবাই হেসে উঠল।

রোকন: কীরে তোরা হাসোস কেন?

খোকন: তুই তো...

রোকন: আমি কী?

খোকন: তুই তো মাইয়ার কামিজ পইরা আইছোস...

 

৫#

নব বিবাহিত স্বামী-স্ত্রী রাতে ট্রেন ভ্রমণ করছে। হঠাৎ পুরো ট্রেনের ইলেক্ট্রিসিটি চলে গেল। বেশ কিছুক্ষণ পর আবার সব আলো জ্বলে উঠলো।

স্বামী: আগে যদি জানতাম এতক্ষণ অন্ধকার থাকবে, তাহলে এর সদ্ব্যবহার করতাম।

স্ত্রী: কী করতে তাহলে?

স্বামী: আনেকগুলো চুমু খেতে পারতাম।

স্ত্রী: এতক্ষণ তাহলে কে ছিল?

 

৬#

রফিক সাহেব লোডশেডিং এর অভিযোগ করতে বিদ্যুৎ অফিসে যেয়ে সাথে সাথে ফিরে আসলেন।

: কী গো, অভিযোগ এতো তাড়াতাড়ি করে আসলে?

: না, অভিযোগ করিনি।

: ওমা কেন?

: ওখানে গিয়ে দেখলাম ওদের জেনারেটর চলছে।

 

৭#

সাকিব একদিন স্কুলে হোমওয়ার্ক নিয়ে যায়নি।

: হোমওয়ার্ক করোনি কেন?

: স্যার লোডশেডিং ছিল।

: তা মোমবাতি জ্বালিয়ে নিতে।

: স্যার, দেশলাই ছিল না।

: দেশলাই ছিল না কেন?

: ঠাকুরঘরে রাখা ছিল স্যার।

: আচ্ছা, ঠাকুরঘর থেকে নিলে না কেন?

: স্নান করিনি, ঠাকুরঘরে ঢুকবো কী করে?

: উফফফ। তা স্নান করতে কে বারন করেছিল?

: জল ছিলো না স্যার।

: জল কেন ছিলো না?

: পাম্পের মোটর চলছিল না স্যার।

টিচার, এবারে ধৈর্য্যের  শেষ  সীমায় পৌঁছে গিয়ে, দাঁত  কিড়মিড়  করে বললেন, ‘আরে উল্লুক, মোটরটা কেন  চলছিল না?’

: স্যার, আপনাকে তো প্রথমেই বললাম যে লোডশেডিং ছিল!

 

৮#

রিমান্ডে দুই আসামির কথা হচ্ছে…

: তুই এতো ভয় পাচ্ছিস কেন?

: আমি বাহিরে শুনেছি, রিমান্ডে কারেন্টের শক দেয়া হয়। আমার বাবা কারেন্টের শক খেয়ে মারা গেছেন।

: আরে ভয় পাইস না, যেই হারে লোডশেডিং হয় বাতিই জ্বলে না আর কারেন্ট।

 

৯#

এক ফ্ল্যাটে এক বাচ্চা ছেলে কলিংবেল বাজানোর চেষ্টা করছে কিন্তু পারছে না।

এক ভদ্রলোক তা দেখে কলিংবেল টিপে জিজ্ঞেস করলেন, এবার কী করব?

: আমি তো পালাবো, আপনি কী করবেন আমি জানি না’

ভদ্রলোক দাঁড়িয়ে থাকলেন। কারণ তিনি জানেন ২ ঘণ্টা ধরে লোডশেডিং চলছে।

 

১০#

কারেন্ট চলে যাওয়ায় এই জোকটা দিতে পারলাম না। আপনারাও এই পর্যন্ত আসতে আসতে কারেন্ট চলে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।  

১৬৮৩ পঠিত ... ১৬:০৪, অক্টোবর ১৩, ২০২২

আরও

পাঠকের মন্তব্য

 

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

আইডিয়া

গল্প

রম্য

সঙবাদ

সাক্ষাৎকারকি

স্যাটায়ার


Top