ব্যাংক নিয়ে দশটি 'চোখ বন্ধ করে লোনটা নিয়ে নেন স্যার' কৌতুক

১৪০৩ পঠিত ... ১৫:২৫, অক্টোবর ১১, ২০২২

Bank-koutuk

 

১#

স্টিভ জবস ও বিল গেটসের মধ্যে কথা হচ্ছিল।

বিল গেটস: গতকাল একটু ব্যাংকে গিয়েছিলাম।

স্টিভ জবস: কেন?

বিল গেটস: একটা লোনের ব্যাপারে কথা বলতে।

স্টিভ জবস: তাই নাকি? তা কত টাকা লোন দরকার তোমার।

বিল গেটস: আমার না। ব্যাংকের দরকার!

 

২#

ব্যাংকে চাকরির জন্য আবেদন করেছে জসিম। তাকে পরীক্ষা করার জন্য ব্যাংকের বড় কর্তা একটা ছোট্ট কাজ দিলেন। বললেন, ‘কবির সাহেব আমাদের ব্যাংক থেকে মোটা অঙ্কের টাকা ঋণ নিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে আমরা তাঁর পেছনে লেগে আছি, কিন্তু তিনি আমাদের টাকা পরিশোধ করছেন না। পারো তো তার কাছ থেকে আমাদের পাওনা টাকা উদ্ধার করে নিয়ে এসো।’

পরদিনই পুরো পাওনা টাকা উদ্ধার করে হাজির জসিম। বড় কর্তার চক্ষু তো ছানাবড়া! কর্তা বললেন, ‘আশ্চর্য! আমরা এত দিন ধরে পারলাম না, আর তুমি এক দিনেই টাকা তুলে ফেললে! কীভাবে পারলে?’

জসিম বলল, ‘সহজ! তাকে বললাম, হয় আপনি আমাদের টাকা পরিশোধ করুন, নয়তো আপনার সব পাওনাদারের কাছে গিয়ে বলব, আপনি আমাদের টাকা পরিশোধ করে দিয়েছেন!’

 

৩#

দরজির কাছে শার্ট-প্যান্ট বানাতে দিয়েছেন ব্যাংক কর্মকর্তা শফিক। যথাসময়ে তিনি তার পোশাক বুঝে পেলেন। সব ঠিকঠাক আছে, শুধু শার্ট-প্যান্ট কোনোটারই পকেট নেই। দরজিকে পাকড়াও করলেন শফিক, ‘কী হে, জামার পকেট কোথায়?’

দরজি উত্তর দিল, ‘ব্যাংক কর্মকর্তারা কখনো নিজের পকেটে হাত দেয় নাকি!’

 

৪#

গাবলু বলছে মন্টুকে, বুঝলি, ভাবছি ব্যাংক থেকে পাঁচ হাজার টাকা ঋণ নেব।

মন্টু: পাঁচ হাজার কেন? তুই বরং পাঁচ কোটি টাকা ঋণ নে।

গাবলু: কেন?

মন্টু: পাঁচ হাজার টাকা ঋণ করলে সেটা তোর মাথাব্যথা, আর পাঁচ কোটি টাকা ঋণ করলে সেটা ব্যাংকের মাথাব্যথা!

 

৫#

সর্দারজি হন্তদন্ত হয়ে ঢুকলেন ব্যাংকে। কর্মকর্তাকে বললেন, ‘আমার এখনই টাকা তোলা দরকার। কিন্তু আমি প্রায় এক মাস আগে আমার চেকবই হারিয়ে ফেলেছি।’

কর্মকর্তা: এত দিন আগে চেকবই হারিয়েছেন, আর এখন এ কথা বলছেন? কেউ যদি আপনার সই নকল করে আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে ফেলে?

সর্দারজি: আমাকে কি এত বুদ্ধু ভেবেছেন? সই যাতে নকল করতে না পারে, সে ব্যবস্থা আগেই করে রেখেছি। চেকবইয়ের সব পাতায় সই করে রেখেছি!

 

৬#

ব্যাংক কর্মকর্তাকে বলছেন শামছু মিয়া, আমি ১০ লাখ টাকা ঋণ নিতে চাই।

কর্মকর্তা: কী উদ্দেশ্যে ঋণ নেবেন?

শামছু: এই টাকা দিয়ে আমি গাড়ি কিনব।

কর্মকর্তা: ঠিক আছে, আমি ব্যবস্থা করছি। তবে আগেই বলে রাখি, আপনি যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা ফেরত দিতে না পারেন, ব্যাংক আপনার গাড়ি নিয়ে নেবে।

শামছু: ইশ্! আগে বলবেন না? আগে জানলে আমি ঋণ নিয়ে বিয়ে করতাম!

 

৭#

রেস্টুরেন্টে পরিচয় হলো রিমা আর সোহাগের। তারা দুজন একসঙ্গে চা খেল, খানিক গল্পগুজব করল, মোবাইল নম্বর নিল…এবং আধঘণ্টার মাথায় সোহাগ রিমাকে প্রেম নিবেদন করে বসল। বলল, ‘আপনি কি আমাকে বিয়ে করবেন?’

বিস্মিত রিমা বলল, ‘আমাদের পরিচয়ের এক ঘণ্টাও হয়নি। আপনি আমার সম্পর্কে কিছুই জানেন না, অথচ আমাকে বিয়ে করতে চাইছেন?’

সোহাগ বলল, ‘কে বলেছে জানি না? আপনার বাবা যে ব্যাংকে টাকা জমা রাখেন, আমি সেই ব্যাংকের হিসাবরক্ষক।’

 

৮#

উকিল: মাননীয় আদালত, সব তথ্যের ভিত্তিতে এটা নিঃসন্দেহে প্রমাণিত যে, আমার মক্কেল জনাব ছক্কু সম্পূর্ণ নির্দোষ। ব্যাংক ডাকাতির সঙ্গে তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন। অতএব, তাকে বেকসুর খালাস দেওয়া হোক।

বিচারক: তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে জনাব ছক্কুকে বেকসুর খালাস দেওয়া হলো। জনাব ছক্কু, আপনার কি কিছু বলার আছে?

ছক্কু: আমাকে কি ব্যাংকের টাকাগুলো ফেরত দিতে হবে?

 

৯#

সর্দারজি রাতে স্বপ্নে দেখেছে কেউ একজন তাকে খুন করেছে। ঘুম থেকে জেগে ওঠার পর মহা দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছে সর্দারজি। কিছুক্ষণ পর কাগজপত্র নিয়ে হন্তদন্ত হয়ে ব্যাংকে ছুটল সর্দারজি। ব্যাংকে ঢুকেই সে ম্যানেজারকে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার জন্য বলল।

ম্যানেজার বললেন, ‘কিন্তু আপনি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে চাইছেন কেন?’

‘আপনাদের ব্যাংকের মূল স্লোগান হলো—আমরা আপনাদের স্বপ্ন পূরণ করি। আর আমি স্বপ্ন দেখেছি কেউ আমাকে খুন করছে। আমার এ স্বপ্ন আমি কিছুতেই আপনাদের পূরণ করতে দেব না, তাই।’—সর্দারজির জবাব।

 

১০#

১ম বন্ধু: আমার ছেলে আমাকে চিঠি লিখলে আমাকে ডিকশনারি নিয়ে বসতে হয় তার মর্ম উদ্ধার করতে।

২য় বন্ধু: সে তো ভালোই, আর আমার ছেলের চিঠি এলে আমি কী নিয়ে বসি জানিস?

১ম বন্ধু: এনসাইক্লোপিডিয়া?

২য় বন্ধু: না রে, আমার ব্যাংকের চেক বই।

১৪০৩ পঠিত ... ১৫:২৫, অক্টোবর ১১, ২০২২

আরও

পাঠকের মন্তব্য

 

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

আইডিয়া

গল্প

রম্য

সঙবাদ

সাক্ষাৎকারকি

স্যাটায়ার


Top