বিমান বা এরোপ্লেন নিয়ে ১০টি উড়ন্ত ফ্যাক্টস

৫০৬ পঠিত ... ১৪:৫৯, মার্চ ২০, ২০২১

aeroplane facts

১# সাদা রঙের প্লেন কালো রঙের প্লেনের চেয়ে বেশি কার্যকর। সাদা রঙ বা যেকোনো হালকা রঙ ওজনেও হালকা হয়। অন্যদিকে কালো রঙ যেকোনো প্লেনে ৮ জন যাত্রীর সমান ওজন যোগ করে। এর কারণ হলো, কালো রঙের পিগমেন্ট বেশি। ফলে কালো রঙের প্লেনের ভারটাও বেশি হয়। 

২# প্রিন্স চার্লস ও প্রিন্স উইলিয়াম কখনো একই এরোপ্লেনে ভ্রমণ করেন না। ফলে একজন দূর্ঘটনায় পড়লেও অন্যজন যাতে বেঁচে থাকে।

৩# ২০১৮ সালে ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স ইন-ফ্লাইট ম্যাগাজিনের জন্য পাতলা কাগজ বেছে নেয়। এর ফলে প্রতি ম্যাগাজিন কপিতে ১ আউন্স ওজন এবং প্রতি ফ্লাইটে প্রায় ১৬ ডলার খরচ কমে যায়। অত বেশি মনে না হলেও এক বছরের সকল ফ্লাইটের কথা বিবেচনা করলে, প্রতি বছর তাদের ২৯০,০০০ ডলারের ১৭০,০০০ গ্যালন পরিমাণ ফুয়েল বেঁচে যাচ্ছে।

৪# প্লেনে চড়লে আমাদের মুখের স্বাদের প্রায় এক তৃতীয়াংশ অসাড় হয়ে যায়। তাই প্লেনের খাবারের পনের গুষ্টি উদ্ধার করার আগে আপনার মুখের স্বাদের কথাটাও মাথায় রাখবেন কিন্তু। 

৫# ১৯৮৭ সালে আমেরিকান এয়ারলাইন্সের প্রধান ছিলেন রবার্ট ক্র‍্যানডেল। তিনি প্রতিটি ফ্লাইটের ফার্স্ট ক্লাসে পরিবেশন করা সালাদ থেকে একটি অলিভ সরিয়ে নিয়েছিলেন এবং সেই সামান্য ওজন সরানোতে বছর শেষে বাঁচিয়েছিলেন ৪০,০০০ ডলার। 

৬# ‘অল নিপন এয়ারওয়েজ’ নামক এক জাপানিজ এয়ারলাইন্স ২০০৯ সালে তাদের যাত্রীদের প্লেইনে ওঠার আগে প্রাকৃতিক কাজ সেড়ে নেওয়ার পরামর্শ দেয়। তাদের হিসাব অনুসারে, একটি মানুষ ভর্তি বোয়িং-৭৬৭ প্লেইনে ২৪০ পাউন্ড ইউরিনের অতিরিক্ত ওজন থাকে। ফলে সকলে যদি ‘ইউরিন মুক্ত’ হয়ে প্লেইনে ওঠে তবে তারা এক মাসের মধ্যে কার্বন নির্গমন ৫ টন কমিয়ে আনতে পারবে। 

৭# আমেরিকান এয়ারলাইন্সের মতে, পাইলটদের পেপার ম্যানুয়াল বা ব্যবহারবিধির বই যদি আইপ্যাডে নিয়ে যাওয়া যায়, তবে তারা ১২ লাখ ডলারের ফুয়েল বাঁচাতে পারবে। 

৮# প্লেনে পাইলট এবং কো-পাইলটদের আলাদা খাবার দেওয়া হয়। যাতে একজনের পেটে সমস্যা দেখা দিলে অন্যজন সুস্থ থাকে।

৯# প্লেনে করে আকাশে ওড়ার সময় আপনার শরীর থেকে প্রতি এক ঘন্টায় ৮ আউন্স পানি কমে যায়। তাই মাটিতে থাকলে যেমনি ৮ গ্লাস পানি খান, আকাশে ওড়ার সময়ও একই কাজ করতে ভুলবেন না যেন। 

১০# প্লেনে ধুমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে বহুকাল আগে। তবুও অনেক প্লেনের বাথরুমে অ্যাশট্রে রাখতে দেখা যায়। এর কারণ, কোনো স্বল্পবুদ্ধির লোক ধুমপান করলে সে বদ্ধ জায়গায় তথা বাথরুমেই কাজটা করবে। তাই সিগারেট শেষ করার পর সে যাতে শেষ অংশ যেখানে-সেখানে না ফেলে অ্যাশট্রেতে ফেলে এবং অন্যের জীবন ঝুঁকিতে না ফেলে তাই এই ব্যবস্থা।

৫০৬ পঠিত ... ১৪:৫৯, মার্চ ২০, ২০২১

আরও eআরকি

পাঠকের মন্তব্য

 

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

আইডিয়া

কৌতুক

রম্য

সঙবাদ

স্যাটায়ার


Top