আমরা হয়তো আর স্বাভাবিক অবস্থায় আর ফিরে যাবো না

৩৪৮৩ পঠিত ... ০৪:৫৪, মার্চ ২৪, ২০২০

করোনা ভাইরাসকে থামাইতে হইলে আমাদেরকে সবকিছু আমূল বদলে ফেলতে হবে: আমরা যেভাবে কাজ করি, ব্যায়াম করি, সামাজিকতা, শপিং, স্বাস্থ্য রক্ষা, শিশুদের শিক্ষা দেয়া, পরিবারের  লোকদের দেখাশোনা করা-সবকিছু। 

আমরা সবাই চাই যে দ্রুত সবকিছু আগের মতো স্বাভাবিক হয়ে যাক। কিন্তু আমাদের বেশিরভাগই যেটা এখনও উপলব্ধি করতে পারে নাই, যদিও শীঘ্রই করবে যে, কয়েক সপ্তাহ বা কয়েকমাস পরে  সবকিছু নরমাল হবে না। কিছু জিনিস আর কখনোই আগের মতো হবে না। 

মোটামুটি সবাই একমত (এমনকি ব্রিটেনও) যে প্রতিটি দেশেরই উচিত ‘কার্ভকে ফ্রাট রাখা’, ভাইরাসের সংক্রমণ ধীরগতির করে দিতে সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং কঠোরভাবে আরোপ করা । তার কারণ অসুস্থ লোকের সংখ্যা এক সাথে অনেক বেড়ে গেলে যাতে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা পুরাপুরি ধ্বসে না পড়ে, যেমনটা ইতালিতে ঘটতে যাচ্ছে বলে মনে হইতেছে। 

এর মানে হলো প্যান্ডেমিক নিম্নমাত্রায় থাকা উচিত, যতক্ষণ না পর্যন্ত যথেষ্ট লোক আক্রান্ত হয়ে বেশিরভাগ লোক ইমিউন (অনাক্রম্য, রোগের আক্রমণে-প্রতিরোধী) হয়ে ওঠে, অথবা যদি ভ্যাকসিন আবিষ্কার করা যায়।  

তাতে কতদিন লাগবে? কতটা সোশ্যাল রেস্ট্রিকশন দরকার?

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দশজনের বেশি কোনো জমায়েতকে নিষিদ্ধ করেছেন। বলেছেন- ‘কয়েক সপ্তাহের মনোযোগী  পদক্ষেপের মাধ্যমে আমরা একে মোকাবেলা করতে পারবো, খুব দ্রুতই পারব। চীনে ছয় সপ্তাহের লকডাউন এখন লুজ হইতে যাইতেছে এবং নতুন আক্রান্তের সংখ্যা কমে আসছে ১-২ জনে।  

কিন্তু এখানেই শেষ নয়। বিশ্বে যতদিন কারও না কারও এই ভাইরাস থাকবে, মহামারি বারবার ঘুরে ফিরে আসতে থাকবে, ছড়াইতে থাকবে, একে কন্টেন করে রাখা যাবে না। লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের গবেষকেরা এ ব্যাপারে প্রস্তাব দিছেন: আইসিইউ (ইন্টেন্সিভ কেয়ার ইউনিট) এ ভর্তি যখনই বেড়ে যাবে, সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে, আর যখন আইসিইউতে ভর্তি করা রোগী কমে যাবে সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিংয়ের কঠোরতা কমায়ে দিতে হবে। নিচের গ্রাফের (গ্রাফ-১)  মতো:  

গ্রাফ-১

কমলা রঙের রেখা হইলো ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা। প্রতিবার একটা মাত্রার উপরে উঠলে, ধরা যাক প্রতি সপ্তাহে ১০০ জন, দেশটা সব ধরনের প্রতিষ্ঠান ও জমায়েত বন্ধ করে দিয়ে সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সি কঠিনভাবে আরোপ করবে। ভর্তির সংখ্যাটা ৫০ এর নিচে নামলে সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিংয়ের কড়াকড়ি কমিয়ে দেবে, যদিও আক্রান্ত লোক বা যাদের পরিবারে আক্রান্ত লোক আছে তাদেরকে অবশ্যই বাসায় অন্তরীণ থাকতে হবে।   

সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং বলতে কী বোঝানো হচ্ছে? গবেষকদের সংজ্ঞামতে, প্রতিটি পরিবার তাদের পরিবারের বাইরে, স্কুল, বা কাজের ক্ষেত্রে যোগাযোগ ৭৫% কমায়ে আনবে। এর মানে এই নয় যে আপনি সপ্তাহে ৪ বারের জায়গায় ১ বার বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে ঘুরতে বের হইতে পারবেন। এর মানে হইলো প্রত্যেকে সামাজিক মেলামেশা কমাইতে যা কিছু করা দরকার করবে এবং অন্তত কমাইতে হবে ৭৫%।

এই মডেল অনুযায়ী, গবেষকদের সিদ্ধান্ত, পুরো সময়ের দুই তৃতীয়াংশ আমাদেরকে সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং আর ক্লোজারে কাটাতে হবে। হিসাবটা মোটামুটি ‘দুই মাস ডিস্ট্যান্সিং চালু রাখতে হবে, একমাস বন্ধ’ এইভাবে। যতদিন না ভ্যাকসিন আবিষ্কৃত হয়ে সকলের জন্য সুলভ হয়, সেটা হতে অন্তত ১৮ মাস সময় লাগার কথা। 

১৮ মাস? অন্য কোনো সমাধান নিশ্চয়ই থাকবে! আরও বেশি বেশি আইসিইউ তৈরি করে দ্রুত অনেক লোকের ট্রিটমেন্ট দেয়াটাই কি ভালো না? 

গবেষকদের মডেল অনুযায়ী, তাতেও সমস্যার সমাধান হইতেছে না। সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং ছাড়া যতই উন্নত চিকিৎসাসেবা একসাথে দেয়ার চেষ্টা করা হোক না কেন, প্রায় সব লোক আক্রান্ত হয়ে পড়বে। এবং খুব বেশি অসুস্থ হওয়া লোকের সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্র বা যুক্তরাজ্যের জনস্বাস্থ্যসেবার সর্বোচ্চ সামর্থের চেয়ে আটগুণ বেশি।   

(এটা গ্রাফের সবচেয়ে নিচের দিকে নীল রেখা; আর লাল রঙের ফ্লাট লাইন হল বর্তমানে আইসিইউ বেডের সংখ্যা। গ্রাফ-২) 

এমনকি আপনি যদি ফ্যাক্টরিগুলোকে বন্ধ করে বেড আর ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা রেখে ও অন্যান্য চিকিৎসাসুবিধা সরবরাহ ঠিক রাখেন, অসুস্থ প্রত্যেককে সেবা দেয়ার সামর্থের ধারে কাছেও যেতে পারবে না। 

গ্রাফ-২

টানা ৫ মাসের জন্যে সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং আর কোয়ারেন্টাইনের কড়াকড়ি আরোপ করা হলে কেমন হইতে পারে? ভাল না। এই ধরনের কড়াকড়ি যখনই কমিয়ে আনা হবে, মহামারি আবার ছড়ায়ে পড়বে, তখন উত্তর ইউএস আর ইউকেতে শীতকাল, চিকিৎসাব্যবস্থার জন্যে সবকিছু ঠিকঠাক করা যে সময়টা সবচেয়ে কঠিন। [বাংলাদেশে সেবা দেয়া সবচেয়ে কঠিন হবে সম্ভবত বর্ষাকালে। পলিসি মেকারদের এইটাও মাথায় রাখা উচিত- অনুবাদক] 

[যদি ৫ মাস ধরে একটানা সোশ্যাল ডিস্টান্সিং ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রণ কঠোরভাবে আরোপ করা হয় এবং পরে আলগা করা হয়, প্যানডেমিক আবার ফিরে আসবে (গ্রাফ-৩)]

অথবা আমরা যদি নিষ্ঠুর হই: আইসিইউতে ভর্তি হওয়া লোকের সংখ্যা কমায়ে সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং অনেক বাড়ায়ে দেই,  প্রচুর রোগী মারা যাবে এটা মেনে নিয়েই? দেখা যাচ্ছে, তাতেও অবস্থার বিশেষ কোন উন্নতি হবে না। ইম্পেরিয়াল কলেজের গবেষকদের এই সিনারিওতে দেখা যায়, যতই কম নিয়ন্ত্রণমূলক হই না কেন (অর্থাৎ অনেক রোগী মারা যাবে এটা মেনে নিলেও), পুরো সময়ের (অন্তত ১৮ মাস) অর্ধেকের বেশি সময়জুড়ে আমাদের সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং ও কোয়ারেন্টাইনসহ এইসব ব্যবস্থা মেনে নেয়াই লাগবে।   

এইটা শুধু সাময়িক ‘অন্যরকম’ ব্যবস্থা না। সম্পূর্ণ ভিন্ন রকম একটা জীবনব্যবস্থা। 

 

প্যানডেমিকে জীবনযাপন 

শর্ট টার্মে ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হবে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলা। বিশেষ করে যে ব্যবসায় একসাথে অনেক লোকের জমায়েত   হইতে হয়: রেস্তোরা, ক্যাফে, বার, নাইটক্লাব, জিম, হোটেল, থিয়েটার, সিনেমা, আর্ট গ্যালারি, শপিং মল, জাদুঘর, সঙ্গীতশিল্পী ও অন্যান্য পারফর্মার, স্পোর্টিং ভেন্যু, খেলাধূলার বিভিন্ন ক্লাব, কনফারেন্স ভেন্যু ও প্রডিউসার, এয়ারলাইন্স, গণপরিবহন, প্রাইভেট স্কুল, ডে-কেয়ার সেন্টার ইত্যাদি।   

এছাড়া মানসিক প্রেশার তো আছেই। হোম স্কুলিংয়ের জন্যে অভিভাবকদের উপর মানসিক চাপ, বয়স্ক অসুস্থ আত্মীয়স্বজনদের সেবা করা লোকেদের ক্লান্তি, এবিউসিভ সম্পর্কে আটকে পড়া ব্যক্তিরা। সবচেয়ে বড় মানসিক ধকলের মধ্যে পড়বেন জনসংখ্যার সেই বড় অংশটা অর্থনৈতিকভাবে যারা সচ্ছল না।   

অবশ্যই কিছু জিনিস মানায়ে নেয়া যাবে। 

জিমগুলো অনলাইনে হোম ইউকুপমেন্ট বিক্রি করতে পারে, অথবা অনলাইন ট্রেনিং সেশন। নতুন নতুন সার্ভিসের বিস্ফোরণ আমরা দেখবো অচিরেই। ‘শাট-ইন-ইকোনমি’তে যেমনটা হওয়ার কথা আর কি। কিছু অভ্যাসের বদল ঘটবে হয়তো: কার্বন-পোড়ানো ট্রাভেল কমাবে, লোকাল সাপ্লাই চেইনের সংখ্যা বাড়াবে। বাড়বে মানুষের হাঁটার ও সাইকেল চালানোর অভ্যাস।  

কিছু ব্যবসা-বাণিজ্য আর জীবন-জীবিকার অনেক জায়গায় যে ধ্বস নামবে তা সামলানো অসম্ভব হয়া উঠবে। আর এইরকম শাট-ইন-লাইফস্টাইল  দীর্ঘকালের জন্য টেকসইও নয়।      

তো, এমন নতুন  দুনিয়ায় আমরা কিভাবে বাঁচবো? উত্তরে বলবো, আশা করা যায়, ভালো উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার মাধ্যমে। যেখানে কুইক প্যান্ডেমিক রেস্পন্স ইউনিট দ্রুত ভাইরাসরে শনাক্ত করা এবং ছড়িয়ে পড়া আটকাইতে পারে। এবং বিভিন্ন মেডিকেল ইকুইপমেন্টস, টেস্টিং কিট, ওষুধ ইত্যাদির দ্রুত উৎপাদন করতে পারে।   

অদূর ভবিষ্যতে, আমরা  কিছু অদ্ভুত রকম সামাজিক ব্যবস্থাও হয়তো দেখতে পাবো। মুভি থিয়েটারগুলা হয়তো অর্ধেক সিট সরায়ে প্রতিটি সিটের মধ্যে দূরত্ব বাড়িয়ে দেবে। দূরে দূরে চেয়ার বসায়ে বিজনেস মিটিং হইতে পারে। জিমে আপনারে আগে থেকে বুক করে রাখতে হবে, যাতে জিমে ভিড় না হয়। পালাক্রমে সবাই ব্যবহার করতে পারে।     

শেষপর্যন্ত, আমি মনে করি, কে রোগাক্রান্ত আর কে নয় তা শনাক্ত করার আরও উন্নত ব্যবস্থা আমরা বের করতে পারি এবং সামাজিকতার নিরাপদ উপায় আমরা বের করতে পারবো। রোগীরে শনাক্ত করার দিকে জোর দিতে গিয়া সমাজে  নানারকম বৈষম্যও দেখা যাবে।  

ইতোমধ্যে কিছু দেশ এ ধরনের পদক্ষেপ নিতেছে। ইজরায়েল ঘোষণা দিছে, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সন্ত্রাসীদের যেভাবে সেলফোন লোকেশন ডেটা ব্যবহার করে ট্র্যাক করে, সাধারণ লোকদেরকেও সেভাবে ট্রেস করে দেখবে ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে আসছে নাকি আসে নাই। সিঙ্গাপুর ২৪ ঘন্টা ফোনের লোকেশন অ্যাপের মাধ্যমে নজর রাখতেছে  আক্রান্তদের অবস্থান। 

অবশ্য নতুন ভবিষ্যত কিরকম চেহারা নিয়ে হাজির হবে আমরা নিখুঁতভাবে জানি না। তবে এমন বিশ্ব কল্পনা করা যায়, যেখানে বিমানে চড়তে হইলে আপনারে এমন সার্ভিসে সাইন আপ লাগবে যারা আপনার ফোনের মাধ্যমে আপনার যাতায়াত যাচাই-বাছাই কইরা নিরাপদ সার্টিফিকেট দেবে। বিমান কর্তৃপক্ষ জানবে না আপনি কোথায় কোথায় গেছিলেন, কিন্তু আক্রান্ত কোন ব্যক্তি বা স্থানের কাছাকাছি আপনি গিয়ে থাকলে কর্তৃপক্ষ এলার্ট পেয়ে যাবে। একই ধরনের ব্যবস্থা থাকবে বড় যেকোন জমায়েত, সরকারি বিল্ডিং বা  গণপরিবহনের ক্ষেত্রে। টেম্পারেচার স্ক্যানার সবখানে হয়তো দেখা যাবে। আপনার অফিস হয়তো আপনাকে এমন মনিটর পরে থাকতে বলবে যা আপনার শরীরের তাপমাত্রা ও অন্যান্য বিষয়ে সিগন্যাল দেবে। নাইটক্লাব বা বার যেখানে আপনার বয়স জানতে চায় ভবিষ্যতে আপনার ইমিউনিটির প্রুফ দেখতে চাইবে; সেইটা হইতে পারে কোনো আইডেন্টিটি কার্ড বা ফোনের মাধ্যমে কোনো ডিজিটাল ভেরিফিকেশন যে আপনি ভাইরাস সংক্রমণ থেকে সম্পূর্ণ সেরে উঠছেন বা অলরেডি ভ্যাকসিন নিছেন।  

এই ধরনের পদক্ষেপ আমরা মেনে নেবো, সন্ত্রাসী হামলার পরে এয়ারপোর্টে নিরাপত্তা চেকের নামে অনেক কিছু যেভাবে আমরা মেনে নিছি। অন্যের সাথে নিরাপদে মেলামেশার জন্যে এইধরণের নজরদারি মেনে নেয়া স্বাভাবিক মনে হবে। 

স্বাভাবিকভাবেই, সবচেয়ে করুণ পরিস্থিতি হবে দূর্বল আর গরিবের ঘরে জন্মানো। স্বাস্থ্যসেবায় যাদের সুযোগ কম বা যারা রোগ-ব্যাধি বেশি এমন অঞ্চলের বাসিন্দা তারা ভয়াবহ  বৈষম্যের শিকার হবে। বেশিরভাগ লোক যেখানে যেতে পারবে বা যে সুযোগ পাবে, এরা সেগুলো থেকে বঞ্চিত হবে। শ্রমজীবী, ব্লু কলার জবহোল্ডারদের চাকরি ও জীবন আরও বেশি অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। অভিবাসী, উদ্বাস্তু, আনডকুমেন্টেড এবং আগে কোনো না কোনো সময় ক্রাইমের জন্য শাস্তি পেয়েছে এমন লোকদের সমাজে টিকে থাকাই কঠিন হবে।  

কিভাবে কারও রোগের ঝুঁকি মাপা হবে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নিয়মকানুন না থাকলে, সরকার বা কোম্পানি যেকোন ক্রাইটেরিয়া বেছে নিতে পারে। যেমন: বছরে ৫০০০০ ডলারের কম আয় করলে আপনি ঝুঁকিতে আছেন, বলে ধরা হবে, বা ছয় বা তার বেশি লোক আপনার পরিবারে থাকলে বা দেশের নির্দিষ্ট অঞ্চলে বাস করলে আপনারে ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনা করা হবে। এইগুলা অ্যালগরিদমিক বায়াস তৈরি করবে এবং  জনগণের মধ্যে প্রচ্ছন্ন বৈষম্য বাড়াবে।  

পৃথিবী বহুবার বদলাইছে। আরও একবার বদলাইতেছে। নতুন ধরনের জীবনযাপন, কাজ এবং সম্পর্কের সাথে আমাদের সবাইরে মানায়ে নিতে হবে। এই  পরিবর্তনের সাথে সাথে, কিছু মানুষ অনেক বেশি হারাবে, যারা এখন পর্যন্ত অনেক কিছু অলরেডি হারাইছে। আমরা সর্বোচ্চ এইটুকুই আশা করতে পারি যে, সমাজে বিদ্যমান বিশাল অসাম্যের কারণে যে বিশাল জনগোষ্ঠী সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় আছে, এই সংকট, দেশগুলোরে  তাদের জন্যে ভালো কিছু করতে যেন বাধ্য করে। 

[এমআইটি টেকনোলজি রিভিউ থেকে]
৩৪৮৩ পঠিত ... ০৪:৫৪, মার্চ ২৪, ২০২০

আরও eআরকি

পাঠকের মন্তব্য

 

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

আইডিয়া

কৌতুক

রম্য

সঙবাদ

স্যাটায়ার


Top