ট্রাম্পের টুইট দেখে টুইটারে বায়ো বদলে ফেললেন গ্রেটা থুনবার্গ

৯৬০ পঠিত ... ১৮:৪১, ডিসেম্বর ১৭, ২০১৯

মাত্র কদিন আগেই টাইম ম্যাগাজিনের ‘পার্সন অফ দ্যা ইয়ার’ হয়েছেন। তবে তার পরপরই গ্রেটা থুনবার্গ আলোচনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন কারণে। ট্রাম্পের সাথে বচসা করে (নাকি ট্রাম্পের বচসার শিকার হয়ে?) নিজের টুইটার বায়ো বদলে ফেলেছেন এই খুদে পরিবেশবাদী। 

গত এক বছর ধরেই পরিবেশ দূষণ নিয়ে প্রতিবাদের ঝড় তুলেছেন সুইডেন নিবাসী গ্রেটা থুনবার্গ। বয়স মাত্র ১৬ হলেও তিনি পরিবেশ বিপর্যয় নিয়ে যেভাবে চিন্তা করেন, তার দ্বিগুণ-চারগুণ বয়সী অনেকেও সেভাবে ভাবেন না। এ বছর জাতিসংঘে ভাষণ দিয়েছেন, সেই ভাষণ শুনেছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজনীতিবিদেরা। শুধু মুখেই নয়, কাজেও তিনি কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। নিউইয়র্কে তিনি জাতিসংঘের সদর দপ্তরে গিয়েছিলেন পালের নৌকায় করে, ফিরে এসেছেনও সেই একই ভাবে।

এমন একজন মানুষের প্রতি দুনিয়ার কোটি কোটি মানুষের ভালোবাসা যেমন রয়েছে, ঠিক তেমনি মুদ্রার অপর পিঠটিও দেখা যাচ্ছে। দুনিয়ার মানুষদের জীবন নিয়ন্ত্রণ করছেন যে সকল বড় বড় রাজনীতিবিদেরা, তাদের অনেকেই গ্রেটাকে তেমন ভালো চোখে দেখেন না। এদের মধ্যে সবার চেয়ে এগিয়ে আছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও বিশিষ্ট টুইটবাজ ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত ১২ ডিসেম্বর টাইম ম্যাগাজিনের ‘পার্সন অফ দ্যা ইয়ার’ হিসেবে গ্রেটা থুনবার্গের নাম ঘোষিত হবার পর পরেই নিজেকে সামলাতে না পেরে একটু টুইট করেন। সেই টুইট থেকেই ঘটনার সুত্রপাত। 

আলোচ্য টুইটে ট্রাম্প লেখেন ‘ব্যাপারটি অনেক হাস্যকর! নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণে আনতে গ্রেটার অবশ্যই চেষ্টা করা উচিত, তারপর একজন বন্ধুর সাথে পুরোনো আমলের সুন্দর একটু মুভি দেখতে যাও। চিল গ্রেটা, চিল!’ 

জবাবে অবশ্য চিল না করে ট্রাম্পের দিকে বলা যায় একপ্রকার টিলই ছুড়েছেন। অবশ্যই এক নির্দোষ eআরকিমূলক ঢিল, নিজের টুইটার বায়ো পালটে ফেলেছেন এই পরিবেশকর্মী। সেখানে এখন লেখা আছে ‘আমি একজন টিনেজার যে তার বদরাগী স্বভাব পরিবর্তনের চেষ্টা করছে। আর এখন আমি আমার এক বন্ধুর সাথে একটু পুরোনো আমলের সুন্দর মুভি দেখছি আর চিল করছি।’

এ নিয়ে অনলাইনে, সামাজিক মাধ্যমে হাসির হুল্লোড় চলছে। পাশাপাশি হোয়াইট হাউজ থেকে ট্রাম্প কেন এই টুইটটি করেছেন তা নিয়ে বিবৃতিও দেয়া হয়েছে। হোয়াইট হাউজ প্রেস সেক্রেটারি স্টিফেন গ্রিশম জোর দিয়ে বলেন, প্রেসিডেন্ট এবং ফার্স্ট লেডি আসলে একটু ভিন্নভাবে কথাটি বলেছেন। গ্রিশম মনে করেন, ট্রাম্পের পক্ষে গ্রেটার সাথে এভাবে কথা বলাটা নাকি যথেষ্ট ন্যায়সম্মত ছিল, কারণ গ্রেটা একজন পাবলিক ফিগার!

৯৬০ পঠিত ... ১৮:৪১, ডিসেম্বর ১৭, ২০১৯

আরও eআরকি

পাঠকের মন্তব্য

 

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

আইডিয়া

কৌতুক

রম্য

সঙবাদ

স্যাটায়ার


Top