বিয়ের অনুষ্ঠানের পাশাপাশি আরও যা যা করা যায়

৩৫২ পঠিত ... ১৭:৩১, জানুয়ারি ১৮, ২০২৩

বিয়ের-অনুষ্ঠানের-পাশাপাশি-আরও-যা-যা-করা-যায়

যশোর সফটওয়্যার পার্কটির উদ্বোধন করা হয় ২০১৭ সালে। সেখান থেকে যথেষ্ট আয় হচ্ছে না বলে, বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তাদের ব্যবসায় যেন লালবাত্তি না জ্বলে তাই eআরকি নিয়ে এসেছে আরও কিছু জীবনমুখী আইডিয়া।

 

১#

জন্মদিনের পার্টিতেও এখন অনেক মানুষের ভীড় হয়। জন্মদিনের পার্টির অনুমতি নেয়াটা খুবই দরকার। বিয়ে মানুষ প্রতিদিন না করলেও, জন্ম প্রতিদিন কারও না কারও হচ্ছেই।

 

২#

বয়ফ্রেন্ড/গার্লফ্রেন্ডকে সারপ্রাইজ প্রপোজ করার কিছু অ্যাক্টিং ভিডিও বানিয়ে নেয়াটা খুবই বুদ্ধিমানের কাজ। মানুষজন মনে করবে ওই পার্কে প্রপোজ করলে সাকসেসফুল হয়। সবাই দলে দলে প্রপোজ করতে যাবে।

 

৩#

টিকটকারদের জন্য পার্কটা উন্মুক্ত করে দেয়া সবথেকে বুদ্ধিমানের কাজ হবে। এখানে পার্ক কর্তৃপক্ষের কোনো কষ্টই হবে না। টিকটকাররাই যা করার করে ফেলবে।

 

৪#

বিভিন্ন টুর্নামেন্টের আয়োজন করা যায়। ইনডোর গেমস টুর্নামেন্ট হবে, মানুষ দলে দলে সেখানে যাবে।

 

৫#

ব্রেকাপ পার্টি করার জন্য সদ্য ব্রেকাপ হওয়া মানুষদের অনুমতি দিয়ে দেয়াটা খুবই ভালো উদ্যোগ। তারা নিজেদের ডিপ্রেশন কাটানোর পাশাপাশি পার্কের লালবাত্তি কাটিয়ে দেবে।

 

৬#

বিএনপি-কে সমাবেশ করার জন্য ছাত্রলীগ মুক্ত মাঠ দেয়া যেতে পারে এই পার্কের ভেতরে। এতে পার্কে লোকও যাবে বিএনপির সমাবেশও হবে।

 

৭#

পার্কের একপাশে সুন্দর করে একটা হানিমুন জোন রাখলে মানুষ বিয়ের পরও পার্কেই থেকে যাবে। যারা পার্কে বিয়ে করবে তারা হানিমুন করার পাশাপাশি দূর দূর থেকে কাপল আসবে এখানে হানিমুন করার জন্য।

 

৮#

পার্কের ভেতরে মানুষের গোপন রোগ, গোপন সমস্যা সমাধানের জন্য কোনো বাবাকে নিয়োগ করে রাখা যেতে পারে। এতে উপরে উপরে না হলেও ভেতরে ভেতরে ব্যবসা খুব ভালো চলবে।

 

৯#

ভোট কেন্দ্রের জন্য পার্কটা একদম পার্ফেক্ট জায়গা। ভোটের দিন সকাল সকাল রিপোর্টার যেয়ে রিপোর্ট করবে, কেন্দ্র একদম ফাঁকা, নেই কোনো মানুষ। দেখবেন ১২টার মধ্যেই লোকজনের উপচে পরা ভীড়!

৩৫২ পঠিত ... ১৭:৩১, জানুয়ারি ১৮, ২০২৩

Top