ফার্স্টবেঞ্চার হওয়ার যে অসুবিধাগুলো আপনি এখনো জানেন না

৭৫৪ পঠিত ... ১৫:৫২, সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২২

First-bencher

 

ফার্স্টবেঞ্চার ব্যাপারটা আমরা সবসময় মনে করি যে অনেক জোস! তারা সবার ভালোবাসার, আদরের। কিন্তু এই দুধ, চিনি, লিকার সহ পার্ফেক্ট চায়ের মতো পার্ফেক্ট ফার্স্টবেঞ্চার হতে গেলেও নানান সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়! মেনে নিতে হয় অনেক কষ্ট, বঞ্চনা, বৈষম্য। আসুন দেখে নেই একজন ফার্স্টবেঞ্চার হওয়ার অসুবিধাগুলো,যা আপনি এর আগেও জানতেন না।

১# একটু বেলা করে ঘুমানোর সুখ ফার্স্টবেঞ্চারদের কপালে জোটে না। সকাল ৭টায় ক্লাস থাকলে এদের সকাল ৫টায় ঘুম থেকে উঠতে হয়। ক্লাসে যাওয়ার আগে ১ ঘণ্টা বাসায় পড়াশোনা করতে হয়! অথচ ব্যাকবেঞ্চারদের এই টাইম ম্যানেজমেন্ট নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই, ওরা সাড়ে ১০টায় ঘুম থেকে উঠে ১০টায় ক্লাসে যোগ দিতে পারে।

২# দুনিয়া যেদিকেই ঘুরতে থাকুক ফার্স্টবেঞ্চারকে ঘুরে-ফিরে ফার্স্ট বেঞ্চেই বসতে হবে! ব্যাকবেঞ্চার হওয়ার সৌভাগ্য তাদের হয় না। চাইলেও বাসা থেকে না খেয়ে আসলে ফার্স্ট ব্রেঞ্চে বসে চুপি চুপি খেয়ে নিতে পারে না!

৩# ফার্স্টবেঞ্চারদের বই পড়ার পাশাপাশি আরও অনেক অপ্রয়োজনীয় জিনিস মূখস্ত রাখতে হয়। এই যেমন...প্রতিদিনের ক্লাস রুটিন, ক্লাসের প্রতিটা ছাত্র-ছাত্রীর নাম-রোল, স্যারের বার্থডে থেকে শুরু করে স্যারের বাচ্চার বার্থডে।

৪# ব্যাকবেঞ্চাররা কোনরকম পাস করলেই স্যাররা খুশি হয়ে যায়। এমন রাজ কপাল নিয়ে ফার্স্টবেঞ্চাররা জন্মায়নি। তারা ১০০ পেলেও ১০২ কেন পেলো না সেজন্য স্যারের কথা শুনতে হয়।

৫# শিক্ষকদের সকল প্রত্যাশা ফার্স্টবেঞ্চারদেরই মেটাতে হয়। আছে আগের ব্যাচের চেয়ে ভালো ব্যাচ হওয়ার চাপও। তাদের জীবনটা আসলেই অনেক কষ্টের।

৬# শুধু নিজের নোটস করলেই এদের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। ব্যাকবেঞ্চারদের সেই নোটস দিতে হয়, নোটস হারিয়ে ফেললে আবারও দিতে হয়।

৭# ফার্স্টবেঞ্চাররা খেলা পারুক আর না পারুক যাবতীর স্পোর্টসে তাদের অংশগ্রহণ করাই লাগে। কারণ স্যাররা মনে করে পড়ালেখায় যেমন তাদের ব্রেইন দ্রুত চলে, দৌড়ের বেলায় হয়তো তাদের পা ও এমন দ্রুত চলবে!

৮# পড়ালেখার পাশাপাশি হাতের লেখার দিকেও এদের মনোযোগ দিতে হয়। এদের হাতের লেখা সুন্দর হওয়া মাস্ট। হাতের লেখা খারাপ হলে ব্যাকবেঞ্চারদের মার্কস কাটা না হলেও ফার্স্টবেঞ্চারদের ৫ মার্কস কাটা যায়।

৭৫৪ পঠিত ... ১৫:৫২, সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২২

Top