আত্মীয়-স্বজনের মাঝে একজন ডাক্তার থাকলে সেসব জিনিস আপনি অবশ্যই করবেন

৮৬৫ পঠিত ... ১৭:১৩, আগস্ট ২৫, ২০২২

Attior-moddhe-doctor-thakle

আত্বীয়-স্বজনের মধ্যে একজন ডাক্তার থাকা মানে, আপনার সকল চিকিৎসার ভার তার। তার প্রতি আপনার অধিকার, কর্তব্য আছে, সেগুলো অবশ্যই পালন করবেন।  কী কী সেই অধিকার-কর্তব্য? চলুন দেখে আসা যাক…

 

১# রাস্তাঘাটে যখনই দেখা হোক না কেন, তাকে জড়িয়ে ধরে থামান । আপনার ব্লাড প্রেশার কিংবা ব্লাড শুগার মাপতে বলুন।

 

২# শুধু আপনিই নন, আপনার দূর সম্পর্কের যত মামাতো বোনের খালাতো ভাইয়ের ভাশুরের ছেলে আছে সবাইকে আপনার আত্মীয় ডাক্তারের ঠিকানা, ফোন নাম্বার দিন এবং ভিজিট ফ্রি করে দেওয়ার অনুরোধ করুন।

 

৩# চেম্বারে সিরিয়াল দেওয়ার জন্য কখনোই সিরিয়ালম্যানকে ফোন দিবেন না। মনে রাখবেন ,ডাক্তারের চেয়ে ভালো সিরিয়ালম্যান হয় না। ডাক্তারকে ফোন দিয়ে সিরিয়াল দিন। সিরিয়াল দেবার জন্য সবচেয়ে ভালো সময় রাত ১-৩ টা।

 

৪# আপনি যে বিষয়েই পড়ালেখা করুন না কেন, বিশেষ করে যদি আর্টস বা কমার্স ব্যাকগ্রাউন্ডের হন এই পরামর্শটি আপনার জন্য। আত্মীয়-স্বজনের ভেতর কোনো সদ্য পাশ করা ডাক্তার থাকলে তাকে বেশি বেশি ক্যারিয়ার পরামর্শ দিন। আপনার মতে তার কোন সাবজেক্টে ডিগ্রী নেওয়া বা স্পেশালাইজড  হওয়া উচিত তাকে জানান। আপনার পরামর্শে তার জীবন পালটে যাবে। শুধু আর্টস বা কমার্সই নয়, আপনি পড়াশোনা না জানলে আরও ভালো , আপনার পরামর্শের জন্যই ডাক্তারটি সারাজীবন অপেক্ষা করেছেন।

 

৫# কোনো কারণে ডাক্তারের মোবাইল বন্ধ পেলে বা যোগাযোগ করতে না পারলে তার মা ,বাবা, ভাই, বোন, মামা, খালা, চাচা, ফুপা যাকে যে অবস্থায় পাবেন কল করুন। মৃত মানুষদের নাম্বারেও চেষ্টা করতে ভুলবেন না। তুই শালা ডাক্তার, তুই ফোন ধরবি না তোর বাপেও ধরবে!

 

৬# কিছুদিন পরপর বিনা নোটিশে ডাক্তার আত্মীয়ের বাসায় যান । পুরো বাসা তল্লাশি করে কী কী ফ্রি ওষুধ আছে খুঁজে বের করুন। মনমতো ওষুধ , রাইটিং প্যাড বা কলম খুঁজে না পেলে এলাকার মানুষের কাছে তাকে ‘ব্যবসায়ী’বলে পরিচয় করিয়ে দিন । কলম , রাইটিং প্যাড , ফ্রি ওষুধ না থাকলে আবার কীসের ডাক্তার?

 

৭# আত্মীয় বা পরিচিত ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ/পরামর্শ এতো সিরিয়াসলি নেবার প্রয়োজন নেই। এদের যত পারুন হালকাভাবে নিন। যখন তখন ফোন দিয়ে ওষুধ চাইবেন, কিন্তু তাকে পুরোপুরি বিশ্বাস করবেন না। সে সঠিক ওষুধ বা পরামর্শ দিলো কি-না আরও দশজন থেকে যাচাই করে নিন। আবারও বলছি , আত্মীয় ডাক্তারকে বিশ্বাস করবেন না।  

 

৮# চিকিৎসা নেবার পর ডাক্তারদের নিয়ে আপনার যত বিদ্বেষ তা প্রকাশ করুন। ডাক্তাররা যে কারণে অপদার্থ এবং কসাই, কেন তাদের ভিজিট অর্ধেক হওয়া উচিৎ এ ব্যাপারেও আলাপ করতে ভুলবেন না।

৮৬৫ পঠিত ... ১৭:১৩, আগস্ট ২৫, ২০২২

Top