মেসেঞ্জারে চ্যাট করার সময় যে ১০টি আদবকায়দা অবশ্যই মেনে চলবেন

৭৮৬ পঠিত ... ২৩:১০, জুলাই ১৮, ২০২০

ফেসবুক একাউন্ট যাদের আছে, মেসেঞ্জারে তারা সবাই কমবেশি চ্যাট করেন। তবে ফেসবুক মেসেঞ্জার যেহেতু ফ্রি অ্যাপ, এমন অনেকের হাতেই এই অ্যাপটি রয়েছে যারা এটি ব্যবহারের আদব কায়দা জানেন না। আসুন, ঝটপট শিখে নেয়া যাক।

১# নক করার পর অপর পাশ থেকে যদি রিপ্লাই না আসে, একের পর এক মেসেজ দিতেই থাকুন। যতক্ষণ সে আপনার মেসেজ না দেখবে, ততক্ষণ একের পর এক নকাইতে থাকবেন। এতে আপনার ভদ্রতাবোধ সম্পর্কে তার বেশ উচ্চ ধারণা তৈরি হবে।

২# চ্যাট করতে করতে প্রতিটা মেসেজ পাঠানোর ০.২ সেকেন্ডের মধ্যে যদি সিন না হয়, তাহলে একের পর এক সেন্টি ইমো দিন। মনে মনে অভিমানী কথাবার্তা সাজিয়ে রাখুন। আপনার সাথে চ্যাট করাই তো তার একমাত্র কাজ, জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য। শুধু এইজন্যই সে মেসেঞ্জারে আছে। কেন সে পাশের ট্যাবে গেল বা অন্য কাউকে রিপ্লাই দিলো?

৩# পাঁচ মিনিট চ্যাট করা হয়ে গেলেই নগদে ভিডিও কল দেবেন। তার সাথে আপনার ভিডিও কল দেয়ার মতো সম্পর্ক আছে কিনা তা ভাবার দরকার নেই। আর অনুমতি নেয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না।

৪# মেসেজ সিন করা মানেই সে রিপ্লাই দিতে বাধ্য। কেউ যদি সিন করে অথচ রিপ্লাই না দেয়, তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করতে দ্রুত পরিচিত উকিলের সাথে যোগাযোগ করুন।

৫# অপরিচিত কাউকে নক দিলে প্রথমেই তাকে যতটা সম্ভব ব্যক্তিগত প্রশ্ন করুন। আর মেয়ে হলে অশালীন ছবি চাইতে একদমই দেরি করবেন না, সম্ভব হলে 'হ্যালো'র বদলে 'সেন্ড ন্যুডস' দিয়েই কনভারসেশন শুরু করুন।

৬# কেউ একবার আপনার মেসেজের জবাব দেয়া মানেই আপনার কিন্তু হয়ে গেলো ব্রো! এইবার তার ওপর আপনার একটা অধিকার জন্মে গেছে। ওপাশের ব্যক্তি মেয়ে হলে ‘বাবু খাইছো?’ প্রশ্ন করতে আর দেরি করবেন না।

৭# স্বল্প পরিচিত কারো সাথে আলাপ শুরু করার সাথেই সাথেই যদি আপনি মেসেঞ্জারের কালার, ডিফল্ট ইমো চেইঞ্জ না করেন- তাহলে আপনি ক্ষ্যাত। এইগুলি চেইঞ্জ না করলে আপনি আর দশজনের চেয়ে আলাদা হলেন কী করে?

৮# কমেন্টবক্সে কোনো প্রশ্ন না করে আপনি মেসেঞ্জারে প্রশ্ন করছেন, তার মানেই হলো যে কোনো প্রশ্ন করার বা উপদেশ দেয়ার অধিকার আপনার রয়েছে। ‘তোমার বেতন কত?’ থেকে শুরু করে ‘একটা জিনিস দেখবা?’ বা ‘বিয়ের তো বছর পার হয়ে গেলো, একটা বাচ্চা নাও।‘ পর্যন্ত যা মনে চায় বলবেন।

৯# গভীর রাতে কারো নামের পাশে সবুজ বাতি জ্বলার মানেই সে আপনার নকের জন্যই জন্ম-জন্মান্তর ধরে অপেক্ষা করে চলেছে। তাকে নক করে বলুন জিজ্ঞেস করুন এতো রাতে কেন জেগে আছে? কী তার দুঃখ? আর দুঃখ ভুলিয়ে দেবার জন্য আপনি তো আছেনই।

১০# খুব চিন্তাশীল একটা বাক্য মাথায় এসেছে। সবাইকে জানানো দরকার। স্ট্যাটাস কেন দেবেন? আপনার একটা আলাদা ব্যাপার আছে না? শ’খানেক মানুষকে অ্যাড করে মেসেঞ্জারে একটা গ্রুপ বানান। এদের কেউ কাউকে চেনে কিনা, সেটা খুব গুরূত্বপূর্ণ কোনো ব্যাপার না। তারপর আপনার গুরুত্বপূর্ণ বাক্যটি বলুন। বা, আপনার একটা সেলফি তুলে গ্রুপ মেসেঞ্জারে পাঠান। সবাই খুশিতে একেবারে আটখানা হয়ে যাবে।

৭৮৬ পঠিত ... ২৩:১০, জুলাই ১৮, ২০২০

Top