যে ১০টি কারণে বিয়ে করলে হল/হোস্টেলে থাকা ছেলেদেরকেই করবেন

১৩১৬ পঠিত ... ২১:১৮, জানুয়ারি ১১, ২০২০

মেয়েরা, বিয়ে করার জন্য পাত্র খুঁজছেন? যদি না খুঁজেও থাকেন, বিয়ে তো একদিন করবেনই তাই না? তাহলে আগেভাগেই জেনে রাখুন, বিয়ের জন্য পাত্র হিসেবে হলে/হোস্টেলে থাকা ছেলেরাই বেস্ট! কেন? একটি নয়, রয়েছে ১০টি কারণ! পড়েই দেখুন!

১# আপনি যদি রান্নাবান্না একেবারে নাও জানেন, কোনো সমস্যা নাই! আপনার রান্না যতই অখাদ্য হোক, তা মুখে নিয়ে খাবার গেলার আগে মুখ খুলবে না তারা। হলে/হোস্টেলে খালাদের অথবা হল ডাইনিংয়ের অখাদ্য খেতে খেতে এরা অখাদ্যে এতটাই অভ্যস্ত হয়েছে যে, আপনি ভালো করে রান্না করলেই বরং তারা সেটা না খেতে পারে।

২# মাঝে মাঝে আপনার বান্ধবীদের নিয়ে হ্যাংআউট করার ইচ্ছে হলে দলেবলে সবাইকে বাসায় নিয়ে এসে চিল করতে পারবেন। হলে/হোস্টেলের জীবনে অভ্যস্ত হওয়া আপনার বরকে নিয়ে ভাবা লাগবে না। পুরো রুম অন্য কাউকে ছেড়ে দিয়ে এক কোনায় শুয়ে থাকার বা জেগে থাকার বা ফ্রেন্ডের বাসায় গিয়ে রাত কাটানোর অভ্যাস তার মজ্জ্বাগত।

৩# মামা চলে গেলাম, চুলাটা বন্ধ কইরেন; রান্নাটা নামাইয়া রাইখেন; মামা আজকে তাড়া আছে, পাতিলগুলো ধুইয়া রাইখেন; খালাদের এমন হাজারো ফরমায়েশ বিনাবাক্যে এরা পালন করে এসেছে। আপনিও ইচ্ছা মতো রাত-দুপুরে তাদেরকে রান্না-বান্নার কাজে ফরমায়েশ খাটাতে পারবেন।

৪# ইচ্ছে মতো বাপের বাড়ি বেড়াতে পারবেন। বরেরা আপনাকে ফিরে আসার কোন প্যারা দিবে না। একা রুমের জন্য এরা চাতক পাখির মতো অপেক্ষা করে! না, না জাস্টফ্রেন্ড নিয়ে এসে চিল করার জন্য না! ছেলেরা কখনো নিজের রুমে নিজের জাস্টফ্রেন্ড আনে না। অন্যের রুমে নেয়! তারা বরং ফ্রেন্ডরা মিলে আপনি না আসা কয়েকদিন রুমে পার্টি দিয়ে দিতে পারে। চিন্তা কইরেন না, নিজেরাই আবার রুম পরিষ্কার করে দিয়ে যাবে!

৫# যে কোন ধরণের ঠুনকো অজুহাতেও আপনি রান্নার অনশন করতে পারবেন। এমনকি, আজকে মন বেশি ভালো, রান্না করতে পারবো না; এমন লজিকও তারা মেনে নিবে। বুয়াদের এমন হাজারো অজুহাত শুনতে শুনতে এরা আর অজুহাতের ধার ধারে না। রান্না হবে না সেটাই তাদের কাছে ফাইনাল। রান্না হবে না বলার পর তারা যে বসে থাকবে তাও না! বরং নিজেই শর্টকার্টে ডিমভাজিসহ রান্না বান্না করে আপনাকে খাওয়াবে।

৬# মাঝরাতে হুট করে যদি বেহুদাই আপনার একটু বাইরে থেকে ঘুরে আসতে ইচ্ছে করে, চা খাইতে ইচ্ছে করে কিংবা শহরে একটা চক্কর দিতে করে; তাহলে হল, মেস বা হোস্টেলে যৌবন কাটানোর ছেলেদের চেয়ে ভালো কোন বিকল্প নাই। এরা হোস্টেল জীবনের দুই-তৃতীয়াংশ সময়ই মাঝরাতে বাইরে যায়, হুদাই যায়। কখনো কখনো বান্ধবীদের এমন অদ্ভূত আবদার রক্ষায় মেয়েদের হলের দারোয়ানকেও ফাঁকি দিয়েছে কেউ কেউ। দারোয়ান মামাকে ম্যানেজ করা থেকে শুরু করে রাস্তায় পুলিশ ধরলে তাকেও ম্যানেজ করার সকল কলা কৌশল তাদের নখদর্পণে।

৭# অন্ধকার রুমে আপনার ভয় করে? লাইট জ্বালানো না থাকলে ঘুমাতে পারেন না? হলের ছেলদের বিয়ে করলে লাইট জ্বালিয়ে রাখা নিয়ে আপনার বাড়তি কোন জ্বালার মধ্যে পড়া লাগবে না। বিছানা থেকে উঠে লাইট নিভানোর চেয়ে কম্বল দিয়ে মুখ ঢেকে ঘুমিয়া যাওয়া ভালো; তারা এই নীতিতে বিশ্বাসী।

৮# ভোরে ঘুম থেকে উঠে বরের জন্য নাস্তা বানিয়ে টেবিলে রাখার মতো লক্ষ্মী বউ হওয়ার প্যারা মুক্ত থাকতে চাইলে বিয়ে করুন হলের ছেলেদের। এরা অফিসে যাওয়ার ৫ মিনিট আগে ঘুম থেকে উঠবে। বাসায় নাস্তা খাওয়ার সময়ই পাবে না।

৯# হলের/হোস্টেলের ছেলেরা আপনাকে কখনো মশারি টানানোর কথা বলবে না। এরা মশা প্রুফ। আপনার মন চাইলে টানাবেন, মন না চাইলে টানাবেন না; এসব সিলি ম্যাটার নিয়ে তারা কোন ধরণের আর্গুমেন্টে যাবে না।

১০# অফিসের কোন ধরনের কাজ ভুলেও তারা বাসায় আনবে না। থাকার জায়গা এদের কাছে মাস্তি অথবা শান্তির জায়গা। হলের রুমে এরা কখনো পড়ছে এমন কোন রেকর্ড পাওয়া যাবে না। এরা সব পড়ালেখা, অ্যাসাইনমেন্ট হয় ক্লাসে বসেই করছে নতুবা বন্ধুর বাসায় গিয়ে করছে। নিজের বাসায় কাজ, পড়ালেখার মতো বিরক্তিকর জিনিসকে এরা এক্সেস দেয় না।

১৩১৬ পঠিত ... ২১:১৮, জানুয়ারি ১১, ২০২০

Top