বউকে ফরেন মানির রহস্য বোঝাতে গিয়ে গোবর্ধন যেমন ফ্যাসাদে পড়লো

৮৬০ পঠিত ... ২১:০৩, জানুয়ারি ১১, ২০২০

 

গোবর্ধন ভালো ছেলে। প্রমথ তার বন্ধু। প্রমথের কপালটা একটু ভালো, খুটির জোর আছে। চাকরি পেয়েছে একটা। গোবর্ধন পায়নি। গোবর্ধনের আরও মুশকিল, সে বিবাহিত। বউটি সুন্দরী। স্বামীর কাছে নানারকম জিনিস চায়।

একদিন গোবর্ধন এসে প্রমথকে বললো, ‘আজ ভাই বউয়ের সামান্য একটা আবদার মেটাতে পারলাম না। সে আজ বললে অনেকদিন চিংড়ি মাছ খাইনি, আজ চিংড়ি মাছ কিনে এনো। যোগেনের কাছ থেকে দশটা টাকা ধার করে বাজারে গেলাম। চিংড়ি মাছ পেলাম না। শুনলাম সব চিংড়ি মাছ বিদেশে চলে যাচ্ছে ‘ফরেন মানি’ আর্ন করতে। ভালো কাপড়, ভালো চাল, ভালো ভালো ফল, সব আজ বিদেশের বাজারে। আমাদের খনিগুলো তো খালি হয়ে গেল। এমন কি বড় বড় ব্যাঙ পর্যন চালান হচ্ছে। এ দেশের ভালো ভালো ছেলে মেয়েরাও বিদেশে গিয়ে ‘ফরেন মানি’ রোজগার করছে। কিছু ছোট পোনা মাছ কিনে এনে বউকে ‘ফরেন মানি’র রহস্য বোঝালাম। বউ বললে, ‘অত ছোট মাছ আমি খেতে পারি না, গলায় কাঁটা বেঁধে কি মুশকিল বলো তো’!   

এর প্রায় মাসখানেক পরে গোবর্ধন হন্তদন হয়ে প্রথমর কাছে এল। চুল উসকোখুসকো, চোখের দৃষ্টি উদ্ভ্রান্ত।

: কি রে কি হল?

: আজ বাড়ি ফিরে দেখি- বউ নেই, এই চিঠিখানা লিখে রেখে গেছে।

চিঠিতে লেখা আছে, আমিও ‘ফরেন মানি’ আর্ন করতে চললাম।

: কী করি বল তো? থানায় যাবো? তোর সঙ্গে হোম মিনিস্টারের আলাপ আছে- তুই একটু চেষ্টা করে দেখবি?

প্রমথ নির্বাক হয়ে রইল।

৮৬০ পঠিত ... ২১:০৩, জানুয়ারি ১১, ২০২০

আরও

পাঠকের মন্তব্য

 

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

আইডিয়া

গল্প

সঙবাদ

সাক্ষাৎকারকি

স্যাটায়ার


Top